ঢাকা    বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

আন্তর্জাতিক

লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো নিয়ে নিতে পারে ইরান, বললেন ট্রাম্প

লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো নিয়ে নিতে পারে ইরান, বললেন ট্রাম্প
লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো নিয়ে নিতে পারে ইরান, বললেন ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগোকে ইরানের হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম এবং দুই শহরের মেয়র ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘বেপরোয়া’, ‘বিপজ্জনক’ ও ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন।

সোমবার রাতে নেব্রাস্কার গ্র্যান্ড আইল্যান্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেন ট্রাম্প। সেখানে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ‘বড় জয়’ পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে পণ্যের দাম বাড়ার প্রসঙ্গ তুলে ট্রাম্প বলেন, বিশ্ব ও যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখার জন্য এই মূল্য পরিশোধ করা ‘ছোট ব্যাপার’।

এরপর ট্রাম্প বলেন, ‘তারা একটি শহর ধ্বংস করে দিতে পারে। লস অ্যাঞ্জেলেসকে ধ্বংস করতে দিন। সান দিয়েগোকেও ধ্বংস করতে দিন।’ এ বক্তব্য দেওয়ার সময় সমাবেশে উপস্থিত তাঁর সমর্থকেরা করতালি দেন। পরে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে’।

ট্রাম্পের মন্তব্যের পরপরই প্রতিক্রিয়া জানান ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এর আগে ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়ায় ন্যাশনাল গার্ড ও মেরিন সেনা পাঠিয়ে রাজ্যটিতে দখলের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলেন। এখন তিনি বিদেশি শত্রুদের লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো ‘ধ্বংস করে দিতে’ বলছেন।

নিউজম ট্রাম্পকে ‘বিভ্রান্ত ও বিপজ্জনক’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দুই শহরের ১ কোটির বেশি মার্কিন নাগরিকের ওপর হামলার পক্ষে প্রেসিডেন্ট কথা বলছেন। তাঁর ভাষায়, ‘এটি স্বাভাবিক নয়। এর কোনোটিই স্বাভাবিক নয়।’

লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র কারেন বাসও ট্রাম্পের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেশের নাগরিকদের নিরাপদ রাখা; তাদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া কিংবা মার্কিন নাগরিকদের ওপর হামলাকে উৎসাহিত করা নয়। ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন হুমকি’ আখ্যা দিয়ে তিনি সতর্ক করেন, এমন মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরটির নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

সান দিয়েগোর মেয়র টড গ্লোরিয়াও ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর মতে, ইরানের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধে সান দিয়েগো কোনো ‘সহযোগী ক্ষতি’ নয় এবং শহরের বাসিন্দারাও কোনোভাবেই বিসর্জনযোগ্য নন। ট্রাম্পের ‘বেপরোয়া যুদ্ধের বক্তব্য’ থেকে সান দিয়েগোকে দূরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের অষ্টম বৃহত্তম শহর সান দিয়েগোতে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো রয়েছে।

ট্রাম্পের প্রায় দেড় ঘণ্টার দীর্ঘ বক্তব্যের ওই অংশ নিয়ে অনলাইনেও ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, ট্রাম্প নীল বা ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত দুটি শহর নিয়ে কৌতুক করেছেন কি না, নাকি ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্য সম্পর্কে কোনো গোপন তথ্য অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ করেছেন।

তবে কিছু রক্ষণশীল কর্মী দাবি করেন, ট্রাম্পের বক্তব্যের ভিন্ন অর্থ থাকতে পারে। তাদের মতে, ‘ছোট মূল্য’ বলতে তিনি জ্বালানির উচ্চমূল্য বোঝাতে চেয়েছেন; ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শহর ধ্বংস করার সক্ষমতার কথা তিনি বলেননি।

এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, বর্তমানে ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর সক্ষমতা নেই।

তবে অতীতেও ট্রাম্প ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হলে তা মার্কিন শহরগুলোর জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নিজের সর্বশেষ স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণেও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যা ‘শিগগিরই’ যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

নেব্রাস্কায় ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও রয়েছে। রাজ্যটির সিনেট নির্বাচন প্রত্যাশার তুলনায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে ওঠায় রিপাবলিকানদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সমাবেশে ট্রাম্প নিজেকে ‘দারুণ অবস্থায়’ আছেন বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে নভেম্বরের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় সমর্থকদের এমনভাবে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান, যেন ব্যালটে তাঁর নিজের নামও রয়েছে।

অন্যদিকে, ক্যালিফোর্নিয়ায় ট্রাম্প-সমর্থিত রিপাবলিকান গভর্নর প্রার্থী স্টিভ হিলটন নির্বাচনে চমক দেখানোর চেষ্টা করছেন। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের মন্তব্য রাজ্যটিতে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

ডেমোক্র্যাটিক গভর্নর প্রার্থী জেভিয়ার বেসেরাও ট্রাম্পের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো কাউন্টিতে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ক্যালিফোর্নিয়াবাসী বসবাস করেন। তাদের জীবন কোনোভাবেই ‘ছোট মূল্য’ নয় এবং তাদের জীবন নিয়ে প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যকে কোনোভাবেই কৌতুক হিসেবে দেখা যায় না।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬


লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো নিয়ে নিতে পারে ইরান, বললেন ট্রাম্প

প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

ইরান যুদ্ধ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগোকে ইরানের হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম এবং দুই শহরের মেয়র ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘বেপরোয়া’, ‘বিপজ্জনক’ ও ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন।

সোমবার রাতে নেব্রাস্কার গ্র্যান্ড আইল্যান্ডে আয়োজিত এক নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য দেন ট্রাম্প। সেখানে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ‘বড় জয়’ পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে পণ্যের দাম বাড়ার প্রসঙ্গ তুলে ট্রাম্প বলেন, বিশ্ব ও যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখার জন্য এই মূল্য পরিশোধ করা ‘ছোট ব্যাপার’।

এরপর ট্রাম্প বলেন, ‘তারা একটি শহর ধ্বংস করে দিতে পারে। লস অ্যাঞ্জেলেসকে ধ্বংস করতে দিন। সান দিয়েগোকেও ধ্বংস করতে দিন।’ এ বক্তব্য দেওয়ার সময় সমাবেশে উপস্থিত তাঁর সমর্থকেরা করতালি দেন। পরে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে’।

ট্রাম্পের মন্তব্যের পরপরই প্রতিক্রিয়া জানান ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এর আগে ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়ায় ন্যাশনাল গার্ড ও মেরিন সেনা পাঠিয়ে রাজ্যটিতে দখলের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলেন। এখন তিনি বিদেশি শত্রুদের লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো ‘ধ্বংস করে দিতে’ বলছেন।

নিউজম ট্রাম্পকে ‘বিভ্রান্ত ও বিপজ্জনক’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দুই শহরের ১ কোটির বেশি মার্কিন নাগরিকের ওপর হামলার পক্ষে প্রেসিডেন্ট কথা বলছেন। তাঁর ভাষায়, ‘এটি স্বাভাবিক নয়। এর কোনোটিই স্বাভাবিক নয়।’

লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র কারেন বাসও ট্রাম্পের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেশের নাগরিকদের নিরাপদ রাখা; তাদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া কিংবা মার্কিন নাগরিকদের ওপর হামলাকে উৎসাহিত করা নয়। ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন হুমকি’ আখ্যা দিয়ে তিনি সতর্ক করেন, এমন মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরটির নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।

সান দিয়েগোর মেয়র টড গ্লোরিয়াও ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর মতে, ইরানের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধে সান দিয়েগো কোনো ‘সহযোগী ক্ষতি’ নয় এবং শহরের বাসিন্দারাও কোনোভাবেই বিসর্জনযোগ্য নন। ট্রাম্পের ‘বেপরোয়া যুদ্ধের বক্তব্য’ থেকে সান দিয়েগোকে দূরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের অষ্টম বৃহত্তম শহর সান দিয়েগোতে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো রয়েছে।

ট্রাম্পের প্রায় দেড় ঘণ্টার দীর্ঘ বক্তব্যের ওই অংশ নিয়ে অনলাইনেও ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, ট্রাম্প নীল বা ডেমোক্র্যাট-সমর্থিত দুটি শহর নিয়ে কৌতুক করেছেন কি না, নাকি ইরানের সম্ভাব্য লক্ষ্য সম্পর্কে কোনো গোপন তথ্য অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ করেছেন।

তবে কিছু রক্ষণশীল কর্মী দাবি করেন, ট্রাম্পের বক্তব্যের ভিন্ন অর্থ থাকতে পারে। তাদের মতে, ‘ছোট মূল্য’ বলতে তিনি জ্বালানির উচ্চমূল্য বোঝাতে চেয়েছেন; ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শহর ধ্বংস করার সক্ষমতার কথা তিনি বলেননি।

এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, বর্তমানে ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর সক্ষমতা নেই।

তবে অতীতেও ট্রাম্প ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেওয়া হলে তা মার্কিন শহরগুলোর জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নিজের সর্বশেষ স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণেও ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যা ‘শিগগিরই’ যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

নেব্রাস্কায় ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও রয়েছে। রাজ্যটির সিনেট নির্বাচন প্রত্যাশার তুলনায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে ওঠায় রিপাবলিকানদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সমাবেশে ট্রাম্প নিজেকে ‘দারুণ অবস্থায়’ আছেন বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে নভেম্বরের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সময় সমর্থকদের এমনভাবে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান, যেন ব্যালটে তাঁর নিজের নামও রয়েছে।

অন্যদিকে, ক্যালিফোর্নিয়ায় ট্রাম্প-সমর্থিত রিপাবলিকান গভর্নর প্রার্থী স্টিভ হিলটন নির্বাচনে চমক দেখানোর চেষ্টা করছেন। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের মন্তব্য রাজ্যটিতে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

ডেমোক্র্যাটিক গভর্নর প্রার্থী জেভিয়ার বেসেরাও ট্রাম্পের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো কাউন্টিতে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ক্যালিফোর্নিয়াবাসী বসবাস করেন। তাদের জীবন কোনোভাবেই ‘ছোট মূল্য’ নয় এবং তাদের জীবন নিয়ে প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যকে কোনোভাবেই কৌতুক হিসেবে দেখা যায় না।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
লস অ্যাঞ্জেলেস ও সান দিয়েগো নিয়ে নিতে পারে ইরান, বললেন ট্রাম্প
0:00 0:00
1.0x