ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার আগেই ভোলায় কর্মহীন জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজল কুমার দাস।
এ সময় নিবন্ধিত জেলেদের প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়। চাল বিতরণের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে কার্যক্রম তদারকি করেন।
জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ ধরতে না পারায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের কষ্টে দিন কাটাতে হয়। এ সময়ে সরকারি বরাদ্দের চাল তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ওজন করে চাল বিতরণ করায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, এভাবে স্বচ্ছতার সঙ্গে চাল বিতরণ করা হলে বরাদ্দের ২৫ কেজি চাল কম পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস বলেন, জেলেদের মাঝে স্বচ্ছভাবে ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রত্যেক জেলে যাতে নির্ধারিত ২৫ কেজি চাল পান, তা নিশ্চিত করতে ওজন ও বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। প্রকৃত কার্ডধারী জেলেদের যাচাই করে চাল দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন,প্রকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের যাচাই-বাছাই করে ভিজিএফের চাল দেওয়া হচ্ছে। চাল বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম যাতে না হয়, সে বিষয়ে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভূঁইয়া জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে। বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে নজরদারি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ভোলার ১৯০ কিলোমিটার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার আগেই ভোলায় কর্মহীন জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়ন পরিষদে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজল কুমার দাস।
এ সময় নিবন্ধিত জেলেদের প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়। চাল বিতরণের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে কার্যক্রম তদারকি করেন।
জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে মাছ ধরতে না পারায় পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের কষ্টে দিন কাটাতে হয়। এ সময়ে সরকারি বরাদ্দের চাল তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ওজন করে চাল বিতরণ করায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, এভাবে স্বচ্ছতার সঙ্গে চাল বিতরণ করা হলে বরাদ্দের ২৫ কেজি চাল কম পাওয়ার সুযোগ থাকবে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সজল কুমার দাস বলেন, জেলেদের মাঝে স্বচ্ছভাবে ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রত্যেক জেলে যাতে নির্ধারিত ২৫ কেজি চাল পান, তা নিশ্চিত করতে ওজন ও বিতরণ কার্যক্রম তদারকি করা হচ্ছে। প্রকৃত কার্ডধারী জেলেদের যাচাই করে চাল দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন,প্রকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের যাচাই-বাছাই করে ভিজিএফের চাল দেওয়া হচ্ছে। চাল বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম যাতে না হয়, সে বিষয়ে নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ভূঁইয়া জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে। বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের পক্ষ থেকে নজরদারি করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ভোলার ১৯০ কিলোমিটার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন