কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ৮নং ঘাড়মোড়া ইউনিয়ন পরিষদের পর পর তিনবারের সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান শাহজাহান মোল্লা এবারও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুত নিচ্ছেন। ইউনিয়নবাসীর অগাধ ভালোবাসা ও সমর্থনে টানা তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন এই প্রবীণ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
পারিবারিক ঐতিহ্য ও জনসেবার ধারাবাহিকতা থেকেই শাহজাহান মোল্লার রাজনীতিতে আগমন।
তাঁর পিতা মরহুম সামাদ মোল্লা ছিলেন ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের সাবেক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। পিতার প্রয়াণের পর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। পিতার আদর্শ ও জনসেবার পথ ধরে প্রথম নির্বাচনেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হন তিনি। এর পর থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি; টানা তিনবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যাপক অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করেছেন।
শাহজাহান মোল্লা কেবল একজন সফল জনপ্রতিনিধিই নন, তিনি স্থানীয় রাজনীতিতেও একজন গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী। বর্তমানে তিনি হোমনা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক বৈরী পরিবেশ এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও জনতার প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা কিংবা প্রতিপক্ষের নানা কৌশল সত্ত্বেও ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের জনগণ বারবার তাঁর ওপরই আস্থা রেখেছেন, ফলে নির্বাচনে তাঁকে পরাজিত করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় ভোটাররা জানান, শাহজাহান মোল্লা সব সময় সুখ-দুঃখে জনগণের পাশে থাকেন। তাঁর সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণেই সাধারণ মানুষ তাঁকে নিজেদের অভিভাবক মনে করে।
আগামী নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। ইউনিয়নবাসী আবারও তাঁকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে শাহজাহান মোল্লা বলেন, "আমার বাবা মরহুম সামাদ মোল্লা সারাজীবন এ দেশের ও এ ইউনিয়নের মানুষের সেবা করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুর পর ঘাড়মোড়ার সাধারণ জনগণ আমাকে যে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়ে টানা তিনবার বিজয়ী করেছেন, তার ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারব না। প্রতিপক্ষের সব প্রতিকূলতা জয় করে আমি সবসময় জনগণের ভোটাধিকার ও ভালোবাসার মর্যাদা দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী নির্বাচনেও জনগণ আমার কাজের মূল্যায়ন করবে এবং সুখে-দুঃখে আমি আমৃত্যু ঘাড়মোড়াবাসীর সেবায় নিয়োজিত থাকব।"

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ৮নং ঘাড়মোড়া ইউনিয়ন পরিষদের পর পর তিনবারের সফল ও জনপ্রিয় চেয়ারম্যান শাহজাহান মোল্লা এবারও আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুত নিচ্ছেন। ইউনিয়নবাসীর অগাধ ভালোবাসা ও সমর্থনে টানা তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন এই প্রবীণ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
পারিবারিক ঐতিহ্য ও জনসেবার ধারাবাহিকতা থেকেই শাহজাহান মোল্লার রাজনীতিতে আগমন।
তাঁর পিতা মরহুম সামাদ মোল্লা ছিলেন ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের সাবেক জনপ্রিয় চেয়ারম্যান। পিতার প্রয়াণের পর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। পিতার আদর্শ ও জনসেবার পথ ধরে প্রথম নির্বাচনেই বিপুল ভোটে বিজয়ী হন তিনি। এর পর থেকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি; টানা তিনবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ব্যাপক অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করেছেন।
শাহজাহান মোল্লা কেবল একজন সফল জনপ্রতিনিধিই নন, তিনি স্থানীয় রাজনীতিতেও একজন গুরুত্বপূর্ণ কাণ্ডারী। বর্তমানে তিনি হোমনা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজনৈতিক বৈরী পরিবেশ এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও জনতার প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত চেয়ারম্যান। রাজনৈতিক প্রতিকূলতা কিংবা প্রতিপক্ষের নানা কৌশল সত্ত্বেও ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের জনগণ বারবার তাঁর ওপরই আস্থা রেখেছেন, ফলে নির্বাচনে তাঁকে পরাজিত করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় ভোটাররা জানান, শাহজাহান মোল্লা সব সময় সুখ-দুঃখে জনগণের পাশে থাকেন। তাঁর সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণেই সাধারণ মানুষ তাঁকে নিজেদের অভিভাবক মনে করে।
আগামী নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে ঘাড়মোড়া ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। ইউনিয়নবাসী আবারও তাঁকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান।
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে শাহজাহান মোল্লা বলেন, "আমার বাবা মরহুম সামাদ মোল্লা সারাজীবন এ দেশের ও এ ইউনিয়নের মানুষের সেবা করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুর পর ঘাড়মোড়ার সাধারণ জনগণ আমাকে যে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়ে টানা তিনবার বিজয়ী করেছেন, তার ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারব না। প্রতিপক্ষের সব প্রতিকূলতা জয় করে আমি সবসময় জনগণের ভোটাধিকার ও ভালোবাসার মর্যাদা দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী নির্বাচনেও জনগণ আমার কাজের মূল্যায়ন করবে এবং সুখে-দুঃখে আমি আমৃত্যু ঘাড়মোড়াবাসীর সেবায় নিয়োজিত থাকব।"

আপনার মতামত লিখুন