সাতক্ষীরা, শ্যামনগরে, মাদকাসক্তির ভয়াবহ পরিণতির সাক্ষী হলো শ্যামনগর বাঁশি, মাদকের নেশায় উন্মত্ত হয়ে নিজের গর্ভধারিণী মাকে ধারালো দা দিয়ে কোপাতে যায় রমেশ নামের এক যুবক। এ সময় মাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন তার ছোট কাকিমা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাকে আহত করার পর উত্তেজিত রমেশ তার কাকিমার গলায় ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে কাকিমার ছেলে মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও পেটে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে রমেশ। বর্তমানে আহত অবস্থায় ২জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিল রমেশ। মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি করতো সে। মাদকের নেশাই তাকে আজ অমানুষে পরিণত করেছে। তার এই নৃশংস কাণ্ডে দুটি পরিবার আজ ধ্বংসের পথে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্ত ঘাতক রমেশ কে আটক করেছে পুলিশ বলে জানা গেছে।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সাতক্ষীরা, শ্যামনগরে, মাদকাসক্তির ভয়াবহ পরিণতির সাক্ষী হলো শ্যামনগর বাঁশি, মাদকের নেশায় উন্মত্ত হয়ে নিজের গর্ভধারিণী মাকে ধারালো দা দিয়ে কোপাতে যায় রমেশ নামের এক যুবক। এ সময় মাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন তার ছোট কাকিমা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাকে আহত করার পর উত্তেজিত রমেশ তার কাকিমার গলায় ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপ দেয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে কাকিমার ছেলে মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও পেটে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে রমেশ। বর্তমানে আহত অবস্থায় ২জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিল রমেশ। মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি করতো সে। মাদকের নেশাই তাকে আজ অমানুষে পরিণত করেছে। তার এই নৃশংস কাণ্ডে দুটি পরিবার আজ ধ্বংসের পথে।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্ত ঘাতক রমেশ কে আটক করেছে পুলিশ বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন