কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের একজন এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া গ্রামের স্বনির্ভর মোড় এলাকায় অভিযান চালায় কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চরঝাকালিয়া গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আফাজ উদ্দিনের ছেলে মো. শামীম মিয়া (৩৫) এবং একই গ্রামের মো. আরমান মিয়া (২০)।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় শামীমের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র, ১১টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ১৮ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকসংক্রান্ত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযান শেষে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, কটিয়াদী এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং মাদকের বিস্তার রোধে চিরুনি অভিযান চলমান থাকবে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের একজন এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চরঝাকালিয়া গ্রামের স্বনির্ভর মোড় এলাকায় অভিযান চালায় কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চরঝাকালিয়া গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আফাজ উদ্দিনের ছেলে মো. শামীম মিয়া (৩৫) এবং একই গ্রামের মো. আরমান মিয়া (২০)।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় শামীমের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র, ১১টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ১৮ হাজার ৮০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকসংক্রান্ত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাদের আটক করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযান শেষে কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, কটিয়াদী এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং মাদকের বিস্তার রোধে চিরুনি অভিযান চলমান থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন