সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেলে ভোলা-বরিশাল ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর সেতু নির্মাণে আগ্রহ দেখিয়েছে জাপানের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিয়াগাওয়া কেনসেটসু কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।
দুই সেতু নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা (৩.৪৪ বিলিয়ন ডলার)। এর মধ্যে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত ১০.৮৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মিত হলে দ্বীপজেলা ভোলার সঙ্গে বরিশালসহ দেশের মূল ভূখণ্ডের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ, বিনিয়োগ, শিল্প ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারের লক্ষ্য, ২০৩৩ সালের মধ্যে সেতু দুটি নির্মাণ সম্পন্ন করা। তবে পিপিপি মডেলের নিয়ম অনুযায়ী ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় বাংলাদেশ সরকার বহন করবে।
২৯ জুলাই অনুষ্ঠিত অষ্টম বাংলাদেশ-জাপান যৌথ পিপিপি প্ল্যাটফর্ম সভায় সেতু দুটি নতুন প্রকল্প হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ভোলা-বরিশাল সেতু—দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে নতুন আশার আলো।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) মডেলে ভোলা-বরিশাল ও শরীয়তপুর-চাঁদপুর সেতু নির্মাণে আগ্রহ দেখিয়েছে জাপানের নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মিয়াগাওয়া কেনসেটসু কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।
দুই সেতু নির্মাণে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার ৪২৩ কোটি টাকা (৩.৪৪ বিলিয়ন ডলার)। এর মধ্যে ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত ১০.৮৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মিত হলে দ্বীপজেলা ভোলার সঙ্গে বরিশালসহ দেশের মূল ভূখণ্ডের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ, বিনিয়োগ, শিল্প ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারের লক্ষ্য, ২০৩৩ সালের মধ্যে সেতু দুটি নির্মাণ সম্পন্ন করা। তবে পিপিপি মডেলের নিয়ম অনুযায়ী ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় বাংলাদেশ সরকার বহন করবে।
২৯ জুলাই অনুষ্ঠিত অষ্টম বাংলাদেশ-জাপান যৌথ পিপিপি প্ল্যাটফর্ম সভায় সেতু দুটি নতুন প্রকল্প হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ভোলা-বরিশাল সেতু—দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে নতুন আশার আলো।

আপনার মতামত লিখুন