রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে হাটহাজারী মাদ্রাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং হাটহাজারী আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা খলিল আহমেদ কুরেশী উপস্থিত ছিলেন।
কবর জিয়ারত শেষে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ প্রধানমন্ত্রীকে মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান। সেখানে তিনি উপস্থিত আলেমদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
মাদ্রাসা ত্যাগের সময় মাঠে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করেন।
আল্লামা শাহ আহমদ শফী ২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মারা যান। তিনি দেশের কওমি অঙ্গনের একজন শীর্ষস্থানীয় মুরব্বি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রায় সাড়ে তিন দশক তিনি আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলামের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ইসলাম, কওমি শিক্ষা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় ইস্যুতে তার ভূমিকা দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে ব্যাপকভাবে আলোচিত ছিল।
আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারতের আগে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে হাটহাজারী থেকে ফটিকছড়ির আল-জামায়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় যান। সেখানে তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে হাটহাজারী মাদ্রাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং হাটহাজারী আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা খলিল আহমেদ কুরেশী উপস্থিত ছিলেন।
কবর জিয়ারত শেষে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ প্রধানমন্ত্রীকে মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান। সেখানে তিনি উপস্থিত আলেমদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
মাদ্রাসা ত্যাগের সময় মাঠে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী হাত মিলিয়ে কুশল বিনিময় করেন।
আল্লামা শাহ আহমদ শফী ২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মারা যান। তিনি দেশের কওমি অঙ্গনের একজন শীর্ষস্থানীয় মুরব্বি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রায় সাড়ে তিন দশক তিনি আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলামের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ইসলাম, কওমি শিক্ষা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় ইস্যুতে তার ভূমিকা দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে ব্যাপকভাবে আলোচিত ছিল।
আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারতের আগে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে হাটহাজারী থেকে ফটিকছড়ির আল-জামায়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় যান। সেখানে তিনি হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

আপনার মতামত লিখুন