সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে আশাশুনি উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের নিহতের বড় ভাই নূর ইসলামের বাড়ির পেছন থেকে কাদামাখা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
কালাম সরদার একই উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের রহিম সরদারের ছেলে। নিহতের ছেলে গোলাম কিবরিয়া জানান, তার বাবা গ্রাম থেকে বিভিন্ন ধরনের ফল সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করতেন।
তিনি জানান, তার বড় চাচা নূর ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিলেন যে, তাদের দাদা আব্দুর রহিমের কাছ থেকে তিনি আট শতক জমি কিনেছেন। এ দাবির পক্ষে তিনি একটি দলিলও দেখান, যা গোলাম কিবরিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী ভুয়া। তবে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ওই জমি তার বাবা নামজারি করে নেন এবং জমিটির আরএস রেকর্ডও তার বাবার নামে রয়েছে।
পরবর্তী সময়ে বড় চাচা নূর ইসলাম ওই জমি নিজের বলে দাবি করে ২০২৪ সালে সাতক্ষীরা সিভিল আদালতে মামলা করেন। এরপর থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয় বলে জানান গোলাম কিবরিয়া।
তিনি আরও জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাশের মোড়ে চা খাওয়ার কথা বলে তার বাবা বাড়ি থেকে বের হন। রাতে তিনি আর বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেন। পরে সোমবার সকালে আশাশুনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
গোলাম কিবরিয়া বলেন, সোমবার বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশী চাচি সালেহা খাতুন বড় চাচা নূর ইসলামের বাড়ির পেছনে তার বাবার কাদামাখা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহম্মেদ খান জানান, কালাম সরদারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার বিকেলে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদনে ঘাড়, গলা ও কোমরের চামড়া ছিলে যাওয়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে।
ওসি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: দেশ রূপান্তর

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে আশাশুনি উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের নিহতের বড় ভাই নূর ইসলামের বাড়ির পেছন থেকে কাদামাখা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
কালাম সরদার একই উপজেলার আগরদাঁড়ি গ্রামের রহিম সরদারের ছেলে। নিহতের ছেলে গোলাম কিবরিয়া জানান, তার বাবা গ্রাম থেকে বিভিন্ন ধরনের ফল সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করতেন।
তিনি জানান, তার বড় চাচা নূর ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছিলেন যে, তাদের দাদা আব্দুর রহিমের কাছ থেকে তিনি আট শতক জমি কিনেছেন। এ দাবির পক্ষে তিনি একটি দলিলও দেখান, যা গোলাম কিবরিয়ার ভাষ্য অনুযায়ী ভুয়া। তবে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ওই জমি তার বাবা নামজারি করে নেন এবং জমিটির আরএস রেকর্ডও তার বাবার নামে রয়েছে।
পরবর্তী সময়ে বড় চাচা নূর ইসলাম ওই জমি নিজের বলে দাবি করে ২০২৪ সালে সাতক্ষীরা সিভিল আদালতে মামলা করেন। এরপর থেকেই দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয় বলে জানান গোলাম কিবরিয়া।
তিনি আরও জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাশের মোড়ে চা খাওয়ার কথা বলে তার বাবা বাড়ি থেকে বের হন। রাতে তিনি আর বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেন। পরে সোমবার সকালে আশাশুনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
গোলাম কিবরিয়া বলেন, সোমবার বেলা ১১টার দিকে প্রতিবেশী চাচি সালেহা খাতুন বড় চাচা নূর ইসলামের বাড়ির পেছনে তার বাবার কাদামাখা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান। পরে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহম্মেদ খান জানান, কালাম সরদারের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার বিকেলে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদনে ঘাড়, গলা ও কোমরের চামড়া ছিলে যাওয়ার চিহ্ন পাওয়া গেছে।
ওসি আরও জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: দেশ রূপান্তর

আপনার মতামত লিখুন