সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের লাউখোলা এলাকায় সংঘর্ষ ও বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মান্নান সরদার পাশের সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুর চরকান্দি এলাকার মৃত আলিউদ্দিন সরদারের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লাউখোলা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রেজাউল শিকদার ও তার অনুসারীদের সঙ্গে তমিজ খাঁ ও তার সমর্থকদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সেখানে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
বিস্ফোরণে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। রেজাউল শিকদারের পক্ষের মান্নান সরদারকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, তমিজ খাঁর সমর্থক রিপন মোল্লা হাতবোমার বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন। এতে তার একটি হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোমান বাদশাহ বলেন, বোমা বিস্ফোরণের আঘাত নিয়ে দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনের হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। অপরজনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করা হয়।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, জাজিরায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের লাউখোলা এলাকায় সংঘর্ষ ও বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মান্নান সরদার পাশের সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুর চরকান্দি এলাকার মৃত আলিউদ্দিন সরদারের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লাউখোলা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রেজাউল শিকদার ও তার অনুসারীদের সঙ্গে তমিজ খাঁ ও তার সমর্থকদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার সন্ধ্যায় দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে সেখানে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।
বিস্ফোরণে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। রেজাউল শিকদারের পক্ষের মান্নান সরদারকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, তমিজ খাঁর সমর্থক রিপন মোল্লা হাতবোমার বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন। এতে তার একটি হাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রোমান বাদশাহ বলেন, বোমা বিস্ফোরণের আঘাত নিয়ে দুই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে একজনের হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ঢাকায় রেফার করা হয়েছে। অপরজনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করা হয়।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল) মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, জাজিরায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন