ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন—চৌগাছা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মেহেদী মাসুদ চৌধুরী (৫৫), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন (৩৩), উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলে এস এম রেজওয়ান হাবিব আলিফ (৩৩), মৃধাপাড়া মহিলা কলেজের শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. নান্নু মিয়া (৩৮), ব্যবসায়ী মো. আমিনুর রহমান (৪২) এবং তার ভাগনে সজল আহমেদ (২৯)।
তিন দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার আসামিদের আদালতের হাজতখানা থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই কে এম মফিজুর রহমান।
অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে ছয় আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন।
আসামিদের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, তারা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সক্রিয় নেতা। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা দীর্ঘদিন ধরে গুলশান থানা এলাকায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানোর উদ্দেশ্যে গোপনে পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করে আসছিলেন।
এর আগে শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে গুলশানের পুলিশ প্লাজার পঞ্চম তলায় অবস্থিত একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সূত্র: কালবেলা

বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন—চৌগাছা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মেহেদী মাসুদ চৌধুরী (৫৫), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন (৩৩), উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলে এস এম রেজওয়ান হাবিব আলিফ (৩৩), মৃধাপাড়া মহিলা কলেজের শিক্ষক ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. নান্নু মিয়া (৩৮), ব্যবসায়ী মো. আমিনুর রহমান (৪২) এবং তার ভাগনে সজল আহমেদ (২৯)।
তিন দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার আসামিদের আদালতের হাজতখানা থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই কে এম মফিজুর রহমান।
অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে ছয় আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন।
আসামিদের বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, তারা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সক্রিয় নেতা। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা দীর্ঘদিন ধরে গুলশান থানা এলাকায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানোর উদ্দেশ্যে গোপনে পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করে আসছিলেন।
এর আগে শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে গুলশানের পুলিশ প্লাজার পঞ্চম তলায় অবস্থিত একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
সূত্র: কালবেলা

আপনার মতামত লিখুন