শনিবার (১৫ আগস্ট) ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদারত্ব ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। বাণিজ্য ও সংস্কৃতিসহ বহুমুখী সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কাজ করার বড় সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শনিবার বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। পরে সমবেত কণ্ঠে ভারতের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ঢাকায় বসবাসরত ভারতীয় নাগরিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বাণীও পড়ে শোনানো হয়।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ ও অভিন্ন আকাঙ্ক্ষাই দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের মূল ভিত্তি। জনগণের মধ্যে সংযোগ ও অভিন্ন প্রত্যাশার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্বের দৃঢ় ভিত্তির ওপর দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাচ্ছে। বাণিজ্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতেও সহযোগিতা বাড়ছে।
তিনি বাণিজ্য ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলে জানান।
সূত্র: যুগান্তর।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদারত্ব ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। বাণিজ্য ও সংস্কৃতিসহ বহুমুখী সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কাজ করার বড় সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শনিবার বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। পরে সমবেত কণ্ঠে ভারতের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ঢাকায় বসবাসরত ভারতীয় নাগরিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বাণীও পড়ে শোনানো হয়।
ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ ও অভিন্ন আকাঙ্ক্ষাই দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের মূল ভিত্তি। জনগণের মধ্যে সংযোগ ও অভিন্ন প্রত্যাশার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের প্রসঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্বের দৃঢ় ভিত্তির ওপর দুই দেশের সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাচ্ছে। বাণিজ্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতেও সহযোগিতা বাড়ছে।
তিনি বাণিজ্য ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলে জানান।
সূত্র: যুগান্তর।

আপনার মতামত লিখুন