শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দেশব্যাপী ইএফটি ও আইবিএস প্লাস প্লাস পদ্ধতির মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
খালেদা জিয়া শিক্ষকদের অবসরকালীন ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন উল্লেখ করে সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টের পাশাপাশি একজন শিক্ষক অবসর সুবিধা হিসেবে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত পাবেন। গ্রামের একজন দরিদ্র স্কুলশিক্ষকের জন্য এই অর্থ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাড়িতে বসেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আইবিএস প্লাস প্লাসের ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্থ চলে যাচ্ছে। এজন্য কাউকে কোনো ধরনের উৎকোচ দিতে হবে না।
তিনি বলেন, অনেকে গতকাল প্রশ্ন করেছেন, আগামী দুদিন পর সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ হবে—এই সময়ে কী কী বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমই তার প্রমাণ। এগুলো সরকারের ইশতেহারে ছিল না; এগুলো ৩২ নম্বর।
এ সময় শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুলড্রেস দেওয়ার কর্মসূচিকে তিনি ‘৩৩ নম্বর’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করতে চান না উল্লেখ করে সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, জাতিই তার প্রশংসা করবে। তবে তিনি স্মরণ করিয়ে দিতে চান, প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি বলেন, দরিদ্র মা-বোনদেরও তিনি ভুলে যাননি। তাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। বিরোধীপক্ষ একসময় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে কটাক্ষ করলেও এখন তারাই কার্ড কবে দেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রতিযোগিতা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সব মা-বোনের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া অর্থ অর্থনীতিতে গতি আনবে এবং অর্থের প্রবাহ বাড়াবে। এর মাধ্যমে মানুষ বাজারের পণ্য কিনবে, সেই চাহিদার কারণে বিভিন্ন চেইন ইন্ডাস্ট্রি সচল হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়া ব্যক্তিদের কেউ কেউ তা তছরুপ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মা-বোনদের হাতে এই অর্থ গেলে তারা পরিবারের কল্যাণে তা ব্যয় করবেন। এর ফলে চেইন ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, এর মাধ্যমে তাদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়বে, ছেলে-মেয়েরা শিক্ষিত হবে এবং তারা দেশের সম্পদে পরিণত হবে। দরিদ্র মানুষকে যদি দরিদ্রই রাখা হয়, তাহলে জাতির কল্যাণ ও মুক্তি কখনো সম্ভব নয়।
বর্তমান সরকারের অন্যান্য উদ্যোগের কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব নাগরিককে প্রয়োজনীয় কর্মসূচির আওতায় আনা হবে এবং তারা স্বীকৃতি পাবেন।
তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেবে। এটি শুধু সরকারের বিশ্বাস নয়, তারা জানেন প্রধানমন্ত্রী এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবেন। দেশের মানুষও তা বিশ্বাস করে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দেশব্যাপী ইএফটি ও আইবিএস প্লাস প্লাস পদ্ধতির মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
খালেদা জিয়া শিক্ষকদের অবসরকালীন ভাতার ব্যবস্থা করেছিলেন উল্লেখ করে সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টের পাশাপাশি একজন শিক্ষক অবসর সুবিধা হিসেবে পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত পাবেন। গ্রামের একজন দরিদ্র স্কুলশিক্ষকের জন্য এই অর্থ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাড়িতে বসেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আইবিএস প্লাস প্লাসের ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্থ চলে যাচ্ছে। এজন্য কাউকে কোনো ধরনের উৎকোচ দিতে হবে না।
তিনি বলেন, অনেকে গতকাল প্রশ্ন করেছেন, আগামী দুদিন পর সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ হবে—এই সময়ে কী কী বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমই তার প্রমাণ। এগুলো সরকারের ইশতেহারে ছিল না; এগুলো ৩২ নম্বর।
এ সময় শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে স্কুলড্রেস দেওয়ার কর্মসূচিকে তিনি ‘৩৩ নম্বর’ হিসেবেও উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করতে চান না উল্লেখ করে সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, জাতিই তার প্রশংসা করবে। তবে তিনি স্মরণ করিয়ে দিতে চান, প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রেখেছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে তিনি বলেন, দরিদ্র মা-বোনদেরও তিনি ভুলে যাননি। তাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে। বিরোধীপক্ষ একসময় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নিয়ে কটাক্ষ করলেও এখন তারাই কার্ড কবে দেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রতিযোগিতা করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সব মা-বোনের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া অর্থ অর্থনীতিতে গতি আনবে এবং অর্থের প্রবাহ বাড়াবে। এর মাধ্যমে মানুষ বাজারের পণ্য কিনবে, সেই চাহিদার কারণে বিভিন্ন চেইন ইন্ডাস্ট্রি সচল হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
সালাহ উদ্দিন আহমদ বলেন, বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়া ব্যক্তিদের কেউ কেউ তা তছরুপ করতে পারেন। কিন্তু দরিদ্র মা-বোনদের হাতে এই অর্থ গেলে তারা পরিবারের কল্যাণে তা ব্যয় করবেন। এর ফলে চেইন ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, এর মাধ্যমে তাদের আর্থিক সক্ষমতা বাড়বে, ছেলে-মেয়েরা শিক্ষিত হবে এবং তারা দেশের সম্পদে পরিণত হবে। দরিদ্র মানুষকে যদি দরিদ্রই রাখা হয়, তাহলে জাতির কল্যাণ ও মুক্তি কখনো সম্ভব নয়।
বর্তমান সরকারের অন্যান্য উদ্যোগের কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব নাগরিককে প্রয়োজনীয় কর্মসূচির আওতায় আনা হবে এবং তারা স্বীকৃতি পাবেন।
তিনি বলেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশকে টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নেবে। এটি শুধু সরকারের বিশ্বাস নয়, তারা জানেন প্রধানমন্ত্রী এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করবেন। দেশের মানুষও তা বিশ্বাস করে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন