এ ব্যাপারে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ৬ আগস্ট নিলয় শিকদারকে অপহরণ করে পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। ভিকটিমকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় তার পরিবার বিভিন্ন বিকাশ নম্বরে মোট ৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা পাঠালেও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। বরং আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়।
র্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদেশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে নিলয়ের কাছ থেকে পাসপোর্টসহ কয়েক দফায় ৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিদেশে না পাঠিয়ে তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় নিলয়ের শ্বশুর বাদী হয়ে ঝালকাঠির কাঠালিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ আগস্ট রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে র্যাব-১০-এর সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল ফরিদপুর কোতোয়ালি থানাধীন চরকমলাপুর এলাকার একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালায়। সেখানে পায়ে শিকল ও তালা লাগানো অবস্থায় নিলয় শিকদারকে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় অপহরণকারী চক্রের মূলহোতা মো. ফেরদৌস উর রহমান (৪২) ও মহুয়া আহমেদ (৩২)কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ আগস্ট রাত আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানাধীন মুন্সীডাঙ্গী এলাকার নিজ বাড়ি থেকে এস এম মনোয়ার (৩৬) নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাবের দাবি, অপহরণের পর নিলয়কে একটি কক্ষে আটকে রেখে পায়ে শিকল পরিয়ে গ্রিলের সঙ্গে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। তাকে মারধর করা এবং দিনে মাত্র একবেলা খাবার দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। নির্যাতনের সময় চিৎকার যাতে বাইরে শোনা না যায়, সে জন্য উচ্চশব্দে সাউন্ডবক্স বাজানো হতো বলেও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে দুটি লোহার শিকল, চাবিসহ দুটি তালা, দুটি স্টিলের পাইপ, একটি চাকু, ছয়টি মোবাইল ফোন ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-১০-এর পক্ষ থেকে বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে দালালচক্রের প্রলোভনে না পড়ে বৈধ ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অপহরণ ও মানবপাচারসহ প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পেলে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা র্যাবকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
এ ব্যাপারে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ৬ আগস্ট নিলয় শিকদারকে অপহরণ করে পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। ভিকটিমকে জীবিত ফিরে পাওয়ার আশায় তার পরিবার বিভিন্ন বিকাশ নম্বরে মোট ৪ লাখ ৫১ হাজার টাকা পাঠালেও তাকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। বরং আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়।
র্যাবের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদেশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে নিলয়ের কাছ থেকে পাসপোর্টসহ কয়েক দফায় ৫ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বিদেশে না পাঠিয়ে তাকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় নিলয়ের শ্বশুর বাদী হয়ে ঝালকাঠির কাঠালিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ আগস্ট রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে র্যাব-১০-এর সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল ফরিদপুর কোতোয়ালি থানাধীন চরকমলাপুর এলাকার একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালায়। সেখানে পায়ে শিকল ও তালা লাগানো অবস্থায় নিলয় শিকদারকে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় অপহরণকারী চক্রের মূলহোতা মো. ফেরদৌস উর রহমান (৪২) ও মহুয়া আহমেদ (৩২)কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ আগস্ট রাত আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানাধীন মুন্সীডাঙ্গী এলাকার নিজ বাড়ি থেকে এস এম মনোয়ার (৩৬) নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাবের দাবি, অপহরণের পর নিলয়কে একটি কক্ষে আটকে রেখে পায়ে শিকল পরিয়ে গ্রিলের সঙ্গে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। তাকে মারধর করা এবং দিনে মাত্র একবেলা খাবার দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। নির্যাতনের সময় চিৎকার যাতে বাইরে শোনা না যায়, সে জন্য উচ্চশব্দে সাউন্ডবক্স বাজানো হতো বলেও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে দুটি লোহার শিকল, চাবিসহ দুটি তালা, দুটি স্টিলের পাইপ, একটি চাকু, ছয়টি মোবাইল ফোন ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-১০-এর পক্ষ থেকে বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে দালালচক্রের প্রলোভনে না পড়ে বৈধ ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অপহরণ ও মানবপাচারসহ প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পেলে নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা র্যাবকে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন