সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এনসিপি-সংশ্লিষ্ট সংগঠন ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার দাবিতে গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ জানানো হলে সেটিকে হঠকারিতা হিসেবে দেখানো হচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে এসব সেবা নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিবাদকে হঠকারিতা কিংবা বাস ভাঙচুরের সঙ্গে এক করে দেখা উচিত নয়। ভবিষ্যতে বিরোধী দল রাজপথে আন্দোলনে নামলে সেটিকে ভাঙচুরের সঙ্গে মিলিয়ে মামলা বা গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলে তা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগের কারণ হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, তারা আগের মতো রাস্তায় বসে বিক্ষোভ করতে চান না। তবে একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, রাস্তায় বসে বিক্ষোভ করাও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একটি বৈধ পদ্ধতি।
দেশে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপির আহ্বায়ক। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে একটি মুক্ত পরিবেশ থাকলেও এই পরিবেশ কতদিন বজায় থাকবে, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
তার ভাষ্য, ধীরে ধীরে গণতন্ত্রের পরিসর এবং কথা বলার জায়গা সংকুচিত হচ্ছে। এই সংকোচন প্রতিহত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখতে হবে।
বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদের ভেতরে এবং বাইরে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার অধিকার বিরোধী দলের রয়েছে। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও আন্দোলনের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যই হলো এটি।
সাংবাদিকদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের কাজ হলো সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা। অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজ নিজ রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকেরা ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন এবং এর পরবর্তী সময়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, ডেইলি ওয়াদারের সম্পাদক শফিকুল আলম, প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান, নিউ এজের উপসম্পাদক আজাদ মজুমদারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা বক্তব্য দেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এনসিপি-সংশ্লিষ্ট সংগঠন ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিশ্চিত করার দাবিতে গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রতিবাদ জানানো হলে সেটিকে হঠকারিতা হিসেবে দেখানো হচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে এসব সেবা নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রতিবাদকে হঠকারিতা কিংবা বাস ভাঙচুরের সঙ্গে এক করে দেখা উচিত নয়। ভবিষ্যতে বিরোধী দল রাজপথে আন্দোলনে নামলে সেটিকে ভাঙচুরের সঙ্গে মিলিয়ে মামলা বা গ্রেপ্তারের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হলে তা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগের কারণ হবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, তারা আগের মতো রাস্তায় বসে বিক্ষোভ করতে চান না। তবে একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, রাস্তায় বসে বিক্ষোভ করাও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একটি বৈধ পদ্ধতি।
দেশে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপির আহ্বায়ক। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে একটি মুক্ত পরিবেশ থাকলেও এই পরিবেশ কতদিন বজায় থাকবে, তা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
তার ভাষ্য, ধীরে ধীরে গণতন্ত্রের পরিসর এবং কথা বলার জায়গা সংকুচিত হচ্ছে। এই সংকোচন প্রতিহত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখতে হবে।
বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, সংসদের ভেতরে এবং বাইরে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার অধিকার বিরোধী দলের রয়েছে। তাঁর মতে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও আন্দোলনের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যই হলো এটি।
সাংবাদিকদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের কাজ হলো সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা। অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিজ নিজ রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করবে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকেরা ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন এবং এর পরবর্তী সময়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, ডেইলি ওয়াদারের সম্পাদক শফিকুল আলম, প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান, নিউ এজের উপসম্পাদক আজাদ মজুমদারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা বক্তব্য দেন।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন