ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পরিবর্তে কে প্রার্থী হচ্ছেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। আসনটি দীর্ঘদিন ধরে মির্জা পরিবারের রাজনৈতিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হওয়ায় সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়েও চলছে নানা জল্পনা।
সদর, ভুল্লি ও রুহিয়া নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব দীর্ঘদিনের। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা প্রয়াত মির্জা রুহুল আমিনও এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ আসন থেকে নির্বাচিত হন।
পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী হিসেবে তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ায় আসনটি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন বিএনপির পক্ষ থেকে কে প্রার্থী হবেন, তা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।
সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন মির্জা ফখরুলের ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়রও ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ও তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকায় দলীয় নেতা-কর্মীদের একটি অংশ তাঁকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
অন্যদিকে আলোচনায় রয়েছেন মির্জা ফখরুলের মেয়ে শামারুহ মির্জাও। পেশায় গবেষক ও শিক্ষাবিদ শামারুহ মির্জা দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস ও কর্মরত আছেন। বাবার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে বিভিন্ন সময় তিনি আলোচনায় এসেছেন। সর্বশেষ নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের সাধারণ মানুষের কাছেও যান।
স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে, তাঁর পক্ষেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন তাঁরা।
ঠাকুরগাঁও চেম্বারের সাবেক নেতা আবদুস ছালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মির্জা ফখরুল এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসছেন এবং তাঁর বাবাও এখানকার সংসদ সদস্য ছিলেন। তাই পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কারণে আসনটি মির্জা পরিবারের হাতেই থাকা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গম আলী বলেন, দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে, জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাঁর পক্ষেই কাজ করবেন। তাঁর দাবি, ঠাকুরগাঁও বিএনপি ঐক্যবদ্ধ এবং দলের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই।
তবে এখন পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। ফলে মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি হিসেবে শেষ পর্যন্ত কে মনোনয়ন পাচ্ছেন, তা জানতে দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করতে হবে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পরিবর্তে কে প্রার্থী হচ্ছেন—এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। আসনটি দীর্ঘদিন ধরে মির্জা পরিবারের রাজনৈতিক ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত হওয়ায় সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়েও চলছে নানা জল্পনা।
সদর, ভুল্লি ও রুহিয়া নিয়ে গঠিত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মির্জা পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব দীর্ঘদিনের। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা প্রয়াত মির্জা রুহুল আমিনও এ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ আসন থেকে নির্বাচিত হন।
পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী হিসেবে তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ায় আসনটি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন বিএনপির পক্ষ থেকে কে প্রার্থী হবেন, তা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।
সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন মির্জা ফখরুলের ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়রও ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ও তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকায় দলীয় নেতা-কর্মীদের একটি অংশ তাঁকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন।
অন্যদিকে আলোচনায় রয়েছেন মির্জা ফখরুলের মেয়ে শামারুহ মির্জাও। পেশায় গবেষক ও শিক্ষাবিদ শামারুহ মির্জা দীর্ঘদিন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস ও কর্মরত আছেন। বাবার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে বিভিন্ন সময় তিনি আলোচনায় এসেছেন। সর্বশেষ নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের সাধারণ মানুষের কাছেও যান।
স্থানীয় বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে, তাঁর পক্ষেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন তাঁরা।
ঠাকুরগাঁও চেম্বারের সাবেক নেতা আবদুস ছালাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মির্জা ফখরুল এ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসছেন এবং তাঁর বাবাও এখানকার সংসদ সদস্য ছিলেন। তাই পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের কারণে আসনটি মির্জা পরিবারের হাতেই থাকা উচিত বলে মনে করেন তিনি।
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গম আলী বলেন, দল যাঁকে মনোনয়ন দেবে, জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাঁর পক্ষেই কাজ করবেন। তাঁর দাবি, ঠাকুরগাঁও বিএনপি ঐক্যবদ্ধ এবং দলের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই।
তবে এখন পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। ফলে মির্জা ফখরুলের উত্তরসূরি হিসেবে শেষ পর্যন্ত কে মনোনয়ন পাচ্ছেন, তা জানতে দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন