নওগাঁর বরেন্দ্রভূমির সীমান্তঘেঁষা সাপাহার উপজেলার কৃতী সন্তান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। একই সঙ্গে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে দুদকের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা এম এ সামাদ ছিলেন একজন খ্যাতিমান আইনজীবী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
দীর্ঘ আইনজীবী ও বিচারিক জীবনে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে অবসরে যাওয়ার পর এবার দেশের দুর্নীতি দমনকারী সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে দায়িত্ব পেলেন তিনি।
সাপাহারের এই কৃতী সন্তানের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নিয়োগে নওগাঁবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, তাঁর অভিজ্ঞতা, সততা ও বিচারিক দক্ষতার মাধ্যমে দুদকের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর বরেন্দ্রভূমির সীমান্তঘেঁষা সাপাহার উপজেলার কৃতী সন্তান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
সোমবার (১৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। একই সঙ্গে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে দুদকের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ১৯৫৯ সালের ১ মার্চ নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা এম এ সামাদ ছিলেন একজন খ্যাতিমান আইনজীবী। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
দীর্ঘ আইনজীবী ও বিচারিক জীবনে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে অবসরে যাওয়ার পর এবার দেশের দুর্নীতি দমনকারী সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে দায়িত্ব পেলেন তিনি।
সাপাহারের এই কৃতী সন্তানের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নিয়োগে নওগাঁবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, তাঁর অভিজ্ঞতা, সততা ও বিচারিক দক্ষতার মাধ্যমে দুদকের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী

আপনার মতামত লিখুন