খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তুলির মা নেই। তার বাবাও দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। দাদি, তুলি ও তার ছোট ভাই কৃষ্ণকে নিয়েই চলছে তাদের সংসার। দাদি হাঁটতে পারেন না এবং প্রতিবন্ধী হওয়ায় তুলি ও কৃষ্ণকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের কাছ থেকে সাহায্য সংগ্রহ করেন। এভাবেই চার সদস্যের পরিবারটি অনেক কষ্টে দিন কাটায়।
দাদির জন্য একটি ‘গাড়ি’ চেয়ে ইউএনওর কাছে আবদার করে তুলি। রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, সোমবার দুপুরে অফিসের কাজ করার সময় হঠাৎ দরজার দিকে তাকিয়ে তিনি দেখেন, খালি গায়ে শুধু হাফপ্যান্ট পরা একটি ছোট শিশু দাঁড়িয়ে আছে। তাকে কাছে ডেকে অফিসে আসার কারণ জানতে চাইলে তুলি প্রথমেই বলে, ‘স্যার, আমার দাদিরে একটা গাড়ি দেন।’
পরে ইউএনও শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তার পরিবার সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন। এ সময় তুলির সঙ্গে তার ভাই কৃষ্ণও ছিল। তাদের কথা শুনে দাদির জন্য একটি হুইলচেয়ার এবং তুলি ও কৃষ্ণার জন্য নতুন পোশাক দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা।
নতুন পোশাক পেয়ে এবং দাদির জন্য হুইলচেয়ার হাতে পেয়ে তুলি, কৃষ্ণ ও তাদের দাদি আনন্দিত হয়ে ওঠেন। তুলির মুখে ফুটে ওঠে হাসি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভাড়া করা রিকশায় পরিষদের এক কর্মচারীকে সঙ্গে দিয়ে তুলি, কৃষ্ণ ও হুইলচেয়ারটি তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
তুলির নির্মল হাসি উপস্থিত সবার মন ছুঁয়ে যায়। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ইউএনও মো. মাসুদ রানার এমন মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল।
সূত্র: আমার দেশ

শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তুলির মা নেই। তার বাবাও দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন। দাদি, তুলি ও তার ছোট ভাই কৃষ্ণকে নিয়েই চলছে তাদের সংসার। দাদি হাঁটতে পারেন না এবং প্রতিবন্ধী হওয়ায় তুলি ও কৃষ্ণকে সঙ্গে নিয়ে মানুষের কাছ থেকে সাহায্য সংগ্রহ করেন। এভাবেই চার সদস্যের পরিবারটি অনেক কষ্টে দিন কাটায়।
দাদির জন্য একটি ‘গাড়ি’ চেয়ে ইউএনওর কাছে আবদার করে তুলি। রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, সোমবার দুপুরে অফিসের কাজ করার সময় হঠাৎ দরজার দিকে তাকিয়ে তিনি দেখেন, খালি গায়ে শুধু হাফপ্যান্ট পরা একটি ছোট শিশু দাঁড়িয়ে আছে। তাকে কাছে ডেকে অফিসে আসার কারণ জানতে চাইলে তুলি প্রথমেই বলে, ‘স্যার, আমার দাদিরে একটা গাড়ি দেন।’
পরে ইউএনও শিশুটির সঙ্গে কথা বলে তার পরিবার সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন। এ সময় তুলির সঙ্গে তার ভাই কৃষ্ণও ছিল। তাদের কথা শুনে দাদির জন্য একটি হুইলচেয়ার এবং তুলি ও কৃষ্ণার জন্য নতুন পোশাক দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা।
নতুন পোশাক পেয়ে এবং দাদির জন্য হুইলচেয়ার হাতে পেয়ে তুলি, কৃষ্ণ ও তাদের দাদি আনন্দিত হয়ে ওঠেন। তুলির মুখে ফুটে ওঠে হাসি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভাড়া করা রিকশায় পরিষদের এক কর্মচারীকে সঙ্গে দিয়ে তুলি, কৃষ্ণ ও হুইলচেয়ারটি তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
তুলির নির্মল হাসি উপস্থিত সবার মন ছুঁয়ে যায়। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে ইউএনও মো. মাসুদ রানার এমন মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন