বর্তমান সরকারের মাত্র ৬ মাসের সময়কালে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন - মনপুরা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের নজিরবিহীন উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় মনপুরাকে একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ মনপুরায় রূপান্তরের লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলো হলো:
১. প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ডাবল লেনের রাস্তা নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
২. মনপুরার ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
৩. মনপুরা হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং একটি অ্যাম্বুলেন্সের অনুমোদনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
৪. মনপুরায় জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে।
৫. যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ৪টি পন্টুন অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
৬. মনপুরায় একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
৭. শিশুদের বিনোদন ও মানসিক বিকাশের জন্য শিশু পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৮. মনপুরায় আধুনিক ঈদগাহ ময়দান নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
৯. গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে কলাতলী–কাজিরচর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
১০. জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষির উন্নয়নে খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
১১. মনপুরা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
১২. মনপুরা সদরকে পৌরসভায় উন্নীত করার প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।
১৩. কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট নির্মান।
এছাড়া ও মনপুরার যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, কৃষি, ক্রীড়া ও নাগরিক সুবিধার উন্নয়নে আরও অনেক পরিকল্পনা ও উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলো সময়ের সঙ্গে দৃশ্যমান হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনপুরা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে মনপুরা একদিন একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হবে"

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
বর্তমান সরকারের মাত্র ৬ মাসের সময়কালে ভোলা-৪ (চরফ্যাশন - মনপুরা) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের নজিরবিহীন উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় মনপুরাকে একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ মনপুরায় রূপান্তরের লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলো হলো:
১. প্রায় ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে ডাবল লেনের রাস্তা নির্মাণের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
২. মনপুরার ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
৩. মনপুরা হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণ এবং একটি অ্যাম্বুলেন্সের অনুমোদনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
৪. মনপুরায় জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে।
৫. যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে ৪টি পন্টুন অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
৬. মনপুরায় একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
৭. শিশুদের বিনোদন ও মানসিক বিকাশের জন্য শিশু পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
৮. মনপুরায় আধুনিক ঈদগাহ ময়দান নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
৯. গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে কলাতলী–কাজিরচর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
১০. জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষির উন্নয়নে খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
১১. মনপুরা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
১২. মনপুরা সদরকে পৌরসভায় উন্নীত করার প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে।
১৩. কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট নির্মান।
এছাড়া ও মনপুরার যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ, কৃষি, ক্রীড়া ও নাগরিক সুবিধার উন্নয়নে আরও অনেক পরিকল্পনা ও উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলো সময়ের সঙ্গে দৃশ্যমান হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনপুরা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ কামাল উদ্দিন বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে মনপুরা একদিন একটি আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ জনপদে পরিণত হবে"

আপনার মতামত লিখুন