রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে মাত্র ৩ হাজার ৪০০ টাকার বিনিময়ে বড় ভাই ফারুক শেখকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছোট ভাই বারেক শেখের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বারেকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার অপর দুজন হলেন আলমগীর হোসেন ও রুবেল শেখ। পুলিশের দাবি, ফারুককে হত্যার জন্য বারেক তাঁর দুই সহযোগীকে ভাড়াটে হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন।
রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল হক এসব তথ্য জানান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধ, টাকা-পয়সা নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ফারুককে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। হত্যার জন্য মোট ৩ হাজার ৪০০ টাকা দেওয়ার চুক্তি হয়েছিল। এর মধ্যে হত্যার আগে ২ হাজার ১০০ টাকা এবং হত্যার পর বাকি ১ হাজার ৩০০ টাকা দেওয়ার কথা ছিল।
গত শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে গোয়ালন্দঘাট থানার জামতলা এলাকায় নিজ বাড়ির শয়নকক্ষে ফারুক শেখকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর বাবা মো. খালেক শেখ বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে নিহতের ছোট ভাই বারেক শেখকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী বারেক দুই সহযোগী আলমগীর ও রুবেলকে দুটি ধারালো দা দেন। পরে তাঁরা ফারুকের বাড়িতে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান।
পরবর্তী সময়ে গোয়ালন্দঘাট থানার দৌলতদিয়া এলাকার পৃথক স্থান থেকে আলমগীর ও রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের পাশের একটি ময়লার স্তূপ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত দুটি রক্তমাখা দা উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া রক্তমাখা গেঞ্জি ও প্যান্ট, একটি মোবাইল ফোন এবং মাস্কসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামসুল হক জানান, গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে মাত্র ৩ হাজার ৪০০ টাকার বিনিময়ে বড় ভাই ফারুক শেখকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছোট ভাই বারেক শেখের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বারেকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার অপর দুজন হলেন আলমগীর হোসেন ও রুবেল শেখ। পুলিশের দাবি, ফারুককে হত্যার জন্য বারেক তাঁর দুই সহযোগীকে ভাড়াটে হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন।
রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামসুল হক এসব তথ্য জানান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পারিবারিক বিরোধ, টাকা-পয়সা নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ফারুককে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। হত্যার জন্য মোট ৩ হাজার ৪০০ টাকা দেওয়ার চুক্তি হয়েছিল। এর মধ্যে হত্যার আগে ২ হাজার ১০০ টাকা এবং হত্যার পর বাকি ১ হাজার ৩০০ টাকা দেওয়ার কথা ছিল।
গত শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১টার দিকে গোয়ালন্দঘাট থানার জামতলা এলাকায় নিজ বাড়ির শয়নকক্ষে ফারুক শেখকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর বাবা মো. খালেক শেখ বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে নিহতের ছোট ভাই বারেক শেখকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, পরিকল্পনা অনুযায়ী বারেক দুই সহযোগী আলমগীর ও রুবেলকে দুটি ধারালো দা দেন। পরে তাঁরা ফারুকের বাড়িতে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান।
পরবর্তী সময়ে গোয়ালন্দঘাট থানার দৌলতদিয়া এলাকার পৃথক স্থান থেকে আলমগীর ও রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের পাশের একটি ময়লার স্তূপ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত দুটি রক্তমাখা দা উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া রক্তমাখা গেঞ্জি ও প্যান্ট, একটি মোবাইল ফোন এবং মাস্কসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামসুল হক জানান, গ্রেপ্তার তিনজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন