বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন ফুটবল প্রতিযোগিতার অংশীদারিত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। উয়েফাসহ একাধিক ফুটবল সংস্থার তীব্র বিরোধিতার কারণে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন তিনি। তবে এর মধ্যেই ৫৬ বছর বয়সী সুইস-ইতালিয়ান এই ফুটবল প্রশাসককে ঘিরে সমালোচনা আরও তীব্র হয়েছে। সর্বশেষ বিশ্বকাপ চলাকালেও তার নেওয়া বেশ কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে সমর্থন কমেছে বলে অভিযোগ করেছেন প্লাতিনি।
ইনফান্তিনোর সমালোচনা করে ক্যানাল-কে প্লাতিনি বলেন, অর্থনৈতিক বিষয় আলাদা। কিন্তু ইনফান্তিনো ব্যর্থ হয়েছেন, কারণ তিনি ফুটবলের নিয়মের রক্ষক হলেও সেই নিয়মগুলোকে সম্মান করেননি।
বিশ্বকাপের ম্যাচে হাইড্রেশন ব্রেক এবং ফাইনালে ৩০ মিনিটের হাফটাইম বিরতিরও সমালোচনা করেন প্লাতিনি। তিনি বলেন, বিজ্ঞাপন বিরতি কোনো নিয়মের অংশ নয়। একইভাবে ফাইনালে ৩০ মিনিটের হাফটাইম বিরতিও নিয়মের মধ্যে পড়ে না। এ ছাড়া লাল কার্ডের ঘটনাকেও আরও খারাপ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
ইনফান্তিনোর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে প্লাতিনি আরও বলেন, তিনি নিয়মের রক্ষক, অথচ সেই নিয়মকেই গুরুত্ব দেন না। তাই তার পদত্যাগ করা উচিত।
শুধু নিয়ম না মানার অভিযোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি প্লাতিনি। ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অর্থ ও ক্ষমতার প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণের অভিযোগও করেছেন তিনি।
প্লাতিনি বলেন, ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানগুলো এই সমস্যার সমাধান করে তাকে পদ থেকে সরাতে পারবে না। উয়েফা যদি ইনফান্তিনোর বিদায় চায়, তাহলে আদালতের মাধ্যমেই তা করতে হবে। তিনি বলেন, ইনফান্তিনো অর্থ ও ক্ষমতাকে ভালোবাসেন—এ বিষয়টি তিনি সবসময়ই জানতেন।
২০১৫ সালে দুর্নীতির অভিযোগে ফিফার তৎকালীন সভাপতি সেপ ব্লাটারের কাছ থেকে ২০ লাখ ডলার অবৈধভাবে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্লাতিনির বিরুদ্ধে। তখন তিনি উয়েফার সভাপতি ছিলেন এবং ব্লাটারের উত্তরসূরি হিসেবে ফিফা সভাপতি হওয়ার দৌড়েও ছিলেন। অভিযোগ ওঠার পর তিনি পদত্যাগ করেন। পরে ২০২৫ সালে ফরাসি এই ফুটবল কিংবদন্তি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
প্লাতিনির দাবি, তার পদত্যাগের সুযোগ কাজে লাগিয়েই ২০১৬ সালে ফিফা সভাপতি নির্বাচিত হন ইনফান্তিনো। এ বিষয়ে প্লাতিনি বলেন, ইনফান্তিনো তাকে সরাননি, বরং তার সরে দাঁড়ানোর ঘটনায় লাভবান হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ইনফান্তিনোকে ঘিরে সারা বিশ্বে অনেক তদন্ত চলছে। নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে তিনি কীভাবে এত কিছু জানতেন, তা নিয়েও নানা গুঞ্জন রয়েছে। এখন পরবর্তী সময়ে কী হয়, সেটিই দেখার বিষয়।
সূত্র: যুগান্তর

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বকাপসহ বিভিন্ন ফুটবল প্রতিযোগিতার অংশীদারিত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। উয়েফাসহ একাধিক ফুটবল সংস্থার তীব্র বিরোধিতার কারণে শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন তিনি। তবে এর মধ্যেই ৫৬ বছর বয়সী সুইস-ইতালিয়ান এই ফুটবল প্রশাসককে ঘিরে সমালোচনা আরও তীব্র হয়েছে। সর্বশেষ বিশ্বকাপ চলাকালেও তার নেওয়া বেশ কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে সমর্থন কমেছে বলে অভিযোগ করেছেন প্লাতিনি।
ইনফান্তিনোর সমালোচনা করে ক্যানাল-কে প্লাতিনি বলেন, অর্থনৈতিক বিষয় আলাদা। কিন্তু ইনফান্তিনো ব্যর্থ হয়েছেন, কারণ তিনি ফুটবলের নিয়মের রক্ষক হলেও সেই নিয়মগুলোকে সম্মান করেননি।
বিশ্বকাপের ম্যাচে হাইড্রেশন ব্রেক এবং ফাইনালে ৩০ মিনিটের হাফটাইম বিরতিরও সমালোচনা করেন প্লাতিনি। তিনি বলেন, বিজ্ঞাপন বিরতি কোনো নিয়মের অংশ নয়। একইভাবে ফাইনালে ৩০ মিনিটের হাফটাইম বিরতিও নিয়মের মধ্যে পড়ে না। এ ছাড়া লাল কার্ডের ঘটনাকেও আরও খারাপ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
ইনফান্তিনোর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে প্লাতিনি আরও বলেন, তিনি নিয়মের রক্ষক, অথচ সেই নিয়মকেই গুরুত্ব দেন না। তাই তার পদত্যাগ করা উচিত।
শুধু নিয়ম না মানার অভিযোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি প্লাতিনি। ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অর্থ ও ক্ষমতার প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণের অভিযোগও করেছেন তিনি।
প্লাতিনি বলেন, ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানগুলো এই সমস্যার সমাধান করে তাকে পদ থেকে সরাতে পারবে না। উয়েফা যদি ইনফান্তিনোর বিদায় চায়, তাহলে আদালতের মাধ্যমেই তা করতে হবে। তিনি বলেন, ইনফান্তিনো অর্থ ও ক্ষমতাকে ভালোবাসেন—এ বিষয়টি তিনি সবসময়ই জানতেন।
২০১৫ সালে দুর্নীতির অভিযোগে ফিফার তৎকালীন সভাপতি সেপ ব্লাটারের কাছ থেকে ২০ লাখ ডলার অবৈধভাবে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্লাতিনির বিরুদ্ধে। তখন তিনি উয়েফার সভাপতি ছিলেন এবং ব্লাটারের উত্তরসূরি হিসেবে ফিফা সভাপতি হওয়ার দৌড়েও ছিলেন। অভিযোগ ওঠার পর তিনি পদত্যাগ করেন। পরে ২০২৫ সালে ফরাসি এই ফুটবল কিংবদন্তি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
প্লাতিনির দাবি, তার পদত্যাগের সুযোগ কাজে লাগিয়েই ২০১৬ সালে ফিফা সভাপতি নির্বাচিত হন ইনফান্তিনো। এ বিষয়ে প্লাতিনি বলেন, ইনফান্তিনো তাকে সরাননি, বরং তার সরে দাঁড়ানোর ঘটনায় লাভবান হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ইনফান্তিনোকে ঘিরে সারা বিশ্বে অনেক তদন্ত চলছে। নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে তিনি কীভাবে এত কিছু জানতেন, তা নিয়েও নানা গুঞ্জন রয়েছে। এখন পরবর্তী সময়ে কী হয়, সেটিই দেখার বিষয়।
সূত্র: যুগান্তর

আপনার মতামত লিখুন