‘আজমেরী ওসমান’ নামে একটি ফেসবুক পেজে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা হাজতের ভেতরে কীভাবে মুঠোফোন পেলেন, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ও কনস্টেবল জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণ কিছু বক্তব্য দেওয়ার পর ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। পরে হাজতে থাকা অন্য তরুণেরাও তার সঙ্গে একই স্লোগান দেন। পুরো ঘটনাটি মুঠোফোনে ধারণ করে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।
এ সময় গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টের বিপরীতে ঢাকামুখী প্রধান সড়ক থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে একজন নগরীর পাইকপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং অন্যরা ফতুল্লার বিসিক এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, আটকের পর নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরে রোববার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ফেরদৌস (১৮), আবরার আহম্মেদ (১৮), ইয়াসিন (১৮), রাব্বি (২০), শিমুল (২০) ও নয়ন (১৮)। বাকি চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাদের সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া ও ফতুল্লার পঞ্চবটি বিসিক এলাকায়।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির পক্ষে মিছিলের প্রস্তুতিকালে শনিবার রাতে ওই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের থানার হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী আটকের বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের ফোন করে জানানোর কথা ছিল।
ওসি মাহবুব আলম বলেন, হাজতখানায় থাকা অবস্থায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এসআই মনিরুল ইসলাম সরল বিশ্বাসে তাদের মুঠোফোন ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছিলেন। পরে কোনো এক সময় তারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির পক্ষে স্লোগান দিয়ে ভিডিও ধারণ করেন এবং সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।
এদিকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ।
সূত্র: জেবি/এসডি

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
‘আজমেরী ওসমান’ নামে একটি ফেসবুক পেজে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরা হাজতের ভেতরে কীভাবে মুঠোফোন পেলেন, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম ও কনস্টেবল জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, এক তরুণ কিছু বক্তব্য দেওয়ার পর ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেন। পরে হাজতে থাকা অন্য তরুণেরাও তার সঙ্গে একই স্লোগান দেন। পুরো ঘটনাটি মুঠোফোনে ধারণ করে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত শনিবার (২৯ আগস্ট) রাতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিলের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।
এ সময় গ্র্যান্ড চাঁদনী রেস্টুরেন্টের বিপরীতে ঢাকামুখী প্রধান সড়ক থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে একজন নগরীর পাইকপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং অন্যরা ফতুল্লার বিসিক এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, আটকের পর নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরে রোববার সকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ফেরদৌস (১৮), আবরার আহম্মেদ (১৮), ইয়াসিন (১৮), রাব্বি (২০), শিমুল (২০) ও নয়ন (১৮)। বাকি চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক। তাদের সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া ও ফতুল্লার পঞ্চবটি বিসিক এলাকায়।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির পক্ষে মিছিলের প্রস্তুতিকালে শনিবার রাতে ওই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের থানার হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী আটকের বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের ফোন করে জানানোর কথা ছিল।
ওসি মাহবুব আলম বলেন, হাজতখানায় থাকা অবস্থায় পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এসআই মনিরুল ইসলাম সরল বিশ্বাসে তাদের মুঠোফোন ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছিলেন। পরে কোনো এক সময় তারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনটির পক্ষে স্লোগান দিয়ে ভিডিও ধারণ করেন এবং সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।
এদিকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ।
সূত্র: জেবি/এসডি

আপনার মতামত লিখুন