চোরাই মোটরসাইকেল চুরি ও কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জামালপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-১)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত জামালপুর সদর ও মেলান্দহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—জামালপুর সদর উপজেলার বগাবাইদ বোর্ডঘর এলাকার নিরব হোসেন (২৬), কটারবাড়ী এলাকার মাহফুজ আহম্মেদ (৩০) এবং মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার মো. বরকতউল্লাহ (২৮) ওরফে সবুজ মুন্সী।
পুলিশ জানায়, ডিবি-১-এর বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিরব হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৮টার দিকে ভারুয়াখালী বাজারের একটি মুদি দোকানে অভিযান চালিয়ে মাহফুজ আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় মাহফুজের হেফাজত থেকে নম্বরবিহীন লাল-কালো রঙের বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটির আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এরপর নিরব হোসেনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১১টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে বরকতউল্লাহ ওরফে সবুজ মুন্সীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় নম্বরবিহীন নীল রঙের অ্যাপাচি আরটিআর ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার টাকা।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া দুটি মোটরসাইকেল যথাযথ জব্দ তালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনার বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, চোরাই যানবাহন উদ্ধার এবং এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি চোরাই মোটরসাইকেলসহ যেকোনো চোরাই যানবাহন সম্পর্কে তথ্য পেলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
চোরাই মোটরসাইকেলের বেচাকেনার বিরুদ্ধে পুলিশের এমন অভিযানকে অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। পুলিশের দাবি, অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চোরাই মোটরসাইকেল চুরি ও কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জামালপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-১)। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি চোরাই মোটরসাইকেল।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত জামালপুর সদর ও মেলান্দহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—জামালপুর সদর উপজেলার বগাবাইদ বোর্ডঘর এলাকার নিরব হোসেন (২৬), কটারবাড়ী এলাকার মাহফুজ আহম্মেদ (৩০) এবং মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার মো. বরকতউল্লাহ (২৮) ওরফে সবুজ মুন্সী।
পুলিশ জানায়, ডিবি-১-এর বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার গোপালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিরব হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৮টার দিকে ভারুয়াখালী বাজারের একটি মুদি দোকানে অভিযান চালিয়ে মাহফুজ আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় মাহফুজের হেফাজত থেকে নম্বরবিহীন লাল-কালো রঙের বাজাজ ডিসকভার ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটির আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।
এরপর নিরব হোসেনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১১টার দিকে মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে বরকতউল্লাহ ওরফে সবুজ মুন্সীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় নম্বরবিহীন নীল রঙের অ্যাপাচি আরটিআর ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫ হাজার টাকা।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া দুটি মোটরসাইকেল যথাযথ জব্দ তালিকার মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনার বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, চোরাই যানবাহন উদ্ধার এবং এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপরাধ দমনে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি চোরাই মোটরসাইকেলসহ যেকোনো চোরাই যানবাহন সম্পর্কে তথ্য পেলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
চোরাই মোটরসাইকেলের বেচাকেনার বিরুদ্ধে পুলিশের এমন অভিযানকে অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। পুলিশের দাবি, অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন