ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলায় মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজ কেন্দ্র করে সৃষ্ট একটি সামাজিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে উপজেলা যুবদল। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মনপুরা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা ও সদস্য সচিব আঃ রহিম।
সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা জানান, ৪ নম্বর দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে স্থানীয় মসজিদের উন্নয়ন বরাদ্দের কাজ নিয়ে মুসল্লিদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নিলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মসজিদের মুসল্লি আবু জাহের মাস্টার আহত হন।
যুবদল আহ্বায়ক বলেন, “ঘটনাটি সম্পূর্ণ সামাজিক ছিল। তবে এটি ঘটার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বেশ কিছু পলাতক নেতা সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা ঘটনাটির জন্য বিএনপিকে দায়ী করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আহত আবু জাহের মাস্টারের এক ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি। মূলত তার ছেলেই রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এই সামাজিক ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে।
শিক্ষকের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আবু জাহের মাস্টারের আহত হওয়ার ঘটনায় আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি একজন সম্মানিত শিক্ষক। যদি তার সাথে কোনো অন্যায় হয়ে থাকে, তবে আমরা তার সঠিক বিচারের দাবি জানাই। তবে একটি সামাজিক ঘটনাকে যেভাবে পলাতক ফ্যাসিবাদী অপশক্তি রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। যারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে জল ঘোলা করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ভুক্তভোগী শিক্ষকের বক্তব্য
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক আবু জাহের মাস্টার জানান, “ঘটনাটি মূলত মসজিদের উন্নয়ন কাজ নিয়ে ঘটেছে, এর সাথে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা সবাই একই সমাজের মুসল্লি এবং বিষয়টি সামাজিকভাবেই সমাধানের প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু কারা বা কেন এটাকে রাজনৈতিক মারামারি হিসেবে প্রচার করছে, তা আমার জানা নেই।”

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলায় মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজ কেন্দ্র করে সৃষ্ট একটি সামাজিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে উপজেলা যুবদল। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মনপুরা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা ও সদস্য সচিব আঃ রহিম।
সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা জানান, ৪ নম্বর দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে স্থানীয় মসজিদের উন্নয়ন বরাদ্দের কাজ নিয়ে মুসল্লিদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নিলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মসজিদের মুসল্লি আবু জাহের মাস্টার আহত হন।
যুবদল আহ্বায়ক বলেন, “ঘটনাটি সম্পূর্ণ সামাজিক ছিল। তবে এটি ঘটার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বেশ কিছু পলাতক নেতা সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা ঘটনাটির জন্য বিএনপিকে দায়ী করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অপপ্রচার চালাচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আহত আবু জাহের মাস্টারের এক ছেলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি। মূলত তার ছেলেই রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে এই সামাজিক ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করছে।
শিক্ষকের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আবু জাহের মাস্টারের আহত হওয়ার ঘটনায় আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি একজন সম্মানিত শিক্ষক। যদি তার সাথে কোনো অন্যায় হয়ে থাকে, তবে আমরা তার সঠিক বিচারের দাবি জানাই। তবে একটি সামাজিক ঘটনাকে যেভাবে পলাতক ফ্যাসিবাদী অপশক্তি রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। যারা পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে জল ঘোলা করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ভুক্তভোগী শিক্ষকের বক্তব্য
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক আবু জাহের মাস্টার জানান, “ঘটনাটি মূলত মসজিদের উন্নয়ন কাজ নিয়ে ঘটেছে, এর সাথে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা সবাই একই সমাজের মুসল্লি এবং বিষয়টি সামাজিকভাবেই সমাধানের প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু কারা বা কেন এটাকে রাজনৈতিক মারামারি হিসেবে প্রচার করছে, তা আমার জানা নেই।”

আপনার মতামত লিখুন