কলম্বিয়ার নতুন ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশটির বৈদেশিক সম্পর্ক ও জোটের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছেন। গত ৭ আগস্ট বামপন্থি সাবেক প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর কাছ থেকে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শক্ত সমর্থন পেয়ে আসছেন।
ক্ষমতা গ্রহণের আগেই দে লা এসপ্রিয়েলা কিউবা ও নিকারাগুয়ার মতো বামপন্থি কর্তৃত্ববাদী সরকারের সঙ্গেও কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত ওই দুই দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেননি তিনি।
কলম্বিয়া সরকার বৃহস্পতিবার জানায়, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘এই অঞ্চলের জাতীয় নিরাপত্তা’ বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
কলম্বিয়ার সরকার ইরান সরকারের বিরুদ্ধে দেশটির নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে—এমন ‘মাদক-সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর’ সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগ তুলেছে। তবে এই অভিযোগের সমর্থনে কোনো প্রমাণ দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে তেহরানের ভূমিকারও সমালোচনা করেছে বোগোতা। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে কলম্বিয়া সরকার।
তবে কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার পরও ইরানের সঙ্গে কনস্যুলার ও নাগরিকসেবা-সংক্রান্ত যোগাযোগ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে কলম্বিয়া।
সূত্র: এএফপি

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কলম্বিয়ার নতুন ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশটির বৈদেশিক সম্পর্ক ও জোটের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছেন। গত ৭ আগস্ট বামপন্থি সাবেক প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর কাছ থেকে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শক্ত সমর্থন পেয়ে আসছেন।
ক্ষমতা গ্রহণের আগেই দে লা এসপ্রিয়েলা কিউবা ও নিকারাগুয়ার মতো বামপন্থি কর্তৃত্ববাদী সরকারের সঙ্গেও কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। তবে এখন পর্যন্ত ওই দুই দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেননি তিনি।
কলম্বিয়া সরকার বৃহস্পতিবার জানায়, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘এই অঞ্চলের জাতীয় নিরাপত্তা’ বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
কলম্বিয়ার সরকার ইরান সরকারের বিরুদ্ধে দেশটির নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে—এমন ‘মাদক-সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর’ সঙ্গে যোগাযোগ থাকার অভিযোগ তুলেছে। তবে এই অভিযোগের সমর্থনে কোনো প্রমাণ দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে তেহরানের ভূমিকারও সমালোচনা করেছে বোগোতা। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে কলম্বিয়া সরকার।
তবে কূটনৈতিক সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার পরও ইরানের সঙ্গে কনস্যুলার ও নাগরিকসেবা-সংক্রান্ত যোগাযোগ অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে কলম্বিয়া।
সূত্র: এএফপি

আপনার মতামত লিখুন