সংসদে আলোচনার সময় আইনটি ‘বোরকা আইন’ নামে পরিচিতি পেলেও চূড়ান্ত আইনে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম কিংবা ধর্মীয় পোশাকের নাম উল্লেখ করা হয়নি। জনসমক্ষে যেকোনোভাবে পুরো মুখ ঢেকে রাখাকেই আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে ধরা হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, সড়ক, পার্ক, সরকারি কার্যালয়, বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং আন্দোলনসহ জনসাধারণের ব্যবহারের জায়গায় পুরো মুখ ঢেকে রাখা নিষিদ্ধ। তবে অসুস্থতা, পেশাগত প্রয়োজন, শিল্প-সংস্কৃতি বা বিজ্ঞাপনের কাজ এবং অতিরিক্ত ঠাণ্ডা কিংবা খারাপ আবহাওয়ার কারণে মুখ ঢাকার ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিমান এবং বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনও এই আইনের আওতার বাইরে থাকবে।
আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তা ইচ্ছাকৃত নাকি অনিচ্ছাকৃত—তার ওপর জরিমানার পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। অনিচ্ছাকৃতভাবে আইন ভঙ্গ করলে ১৫০ থেকে ৭৫০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। আর জেনে-বুঝে আইন অমান্য করলে জরিমানার পরিমাণ ৪০০ থেকে ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। ঘটনার নথি তৈরি করবে পুলিশ এবং জরিমানার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় পৌরসভা।
নতুন আইনে অন্য কাউকে জোর করে মুখ ঢাকতে বাধ্য করাকেও অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভয় দেখানো কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাউকে মুখ ঢাকতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড হতে পারে। আর ভুক্তভোগীর বয়স ১৮ বছরের নিচে হলে শাস্তির মাত্রা আরও এক-তৃতীয়াংশ বাড়ানোর বিধান রাখা হয়েছে।
পর্তুগাল সরকার জানিয়েছে, জননিরাপত্তা ও সামাজিক সংহতি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনা ও ভোটের পর গত আগস্টে দেশটির প্রেসিডেন্ট আইনটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেন।
সূত্র: দ্য পর্তুগাল নিউজ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সংসদে আলোচনার সময় আইনটি ‘বোরকা আইন’ নামে পরিচিতি পেলেও চূড়ান্ত আইনে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম কিংবা ধর্মীয় পোশাকের নাম উল্লেখ করা হয়নি। জনসমক্ষে যেকোনোভাবে পুরো মুখ ঢেকে রাখাকেই আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে ধরা হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, সড়ক, পার্ক, সরকারি কার্যালয়, বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং আন্দোলনসহ জনসাধারণের ব্যবহারের জায়গায় পুরো মুখ ঢেকে রাখা নিষিদ্ধ। তবে অসুস্থতা, পেশাগত প্রয়োজন, শিল্প-সংস্কৃতি বা বিজ্ঞাপনের কাজ এবং অতিরিক্ত ঠাণ্ডা কিংবা খারাপ আবহাওয়ার কারণে মুখ ঢাকার ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিমান এবং বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনও এই আইনের আওতার বাইরে থাকবে।
আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তা ইচ্ছাকৃত নাকি অনিচ্ছাকৃত—তার ওপর জরিমানার পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। অনিচ্ছাকৃতভাবে আইন ভঙ্গ করলে ১৫০ থেকে ৭৫০ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। আর জেনে-বুঝে আইন অমান্য করলে জরিমানার পরিমাণ ৪০০ থেকে ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। ঘটনার নথি তৈরি করবে পুলিশ এবং জরিমানার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় পৌরসভা।
নতুন আইনে অন্য কাউকে জোর করে মুখ ঢাকতে বাধ্য করাকেও অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ভয় দেখানো কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহার করে কাউকে মুখ ঢাকতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ড হতে পারে। আর ভুক্তভোগীর বয়স ১৮ বছরের নিচে হলে শাস্তির মাত্রা আরও এক-তৃতীয়াংশ বাড়ানোর বিধান রাখা হয়েছে।
পর্তুগাল সরকার জানিয়েছে, জননিরাপত্তা ও সামাজিক সংহতি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক আলোচনা ও ভোটের পর গত আগস্টে দেশটির প্রেসিডেন্ট আইনটিতে চূড়ান্ত অনুমোদন দেন।
সূত্র: দ্য পর্তুগাল নিউজ

আপনার মতামত লিখুন