স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বুধবার ভোর ৪টার দিকে তামেনংলং ও কাংপোকপি জেলার সীমান্তবর্তী লসান, সংপিবুং ও টি খোলমুন—এই তিন কুকি-অধ্যুষিত গ্রামে ভারী অস্ত্র নিয়ে গুলি চালায় হামলাকারীরা। ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইন মেরামতের কাজে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে বিদ্যুৎকর্মী পাওজাঙ্গাম চোংলোই নিহত হন।
হামলার পর লসান গ্রামের প্রধান কাংপোকপি থানায় একটি ‘জিরো এফআইআর’ দায়ের করেন।
একই সময়ে কাংপোকপি ও ননে জেলার আরও পাঁচটি নাগা-অধ্যুষিত গ্রাম—মাকুই চামরিউপিউ, লাংকা, থানাম্বা, তা জেইকাইফুন ও কাপনিংচিং মুক্তি—সশস্ত্র হামলার শিকার হয়। হামলার আতঙ্কে এসব গ্রামের বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে চলে যান।
কাপনিংচিং মুক্তি গ্রামে চারটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে গ্রামের সশস্ত্র স্বেচ্ছাসেবকেরা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করতে এগিয়ে এলে তারা সেখান থেকে পিছু হটে।
মাকুই চামরিউপিউ গ্রামের কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সরকারের সঙ্গে ‘সাসপেনশন অব অপারেশন’ চুক্তির আওতায় থাকা কেএনএফ (পি), কেএনএফ (এন) ও কেআরএর মতো কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন এই হামলায় জড়িত। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মণিপুরে জাতিগত সংঘাত দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এ সংঘাতের কারণে হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। দীর্ঘদিনের এই সংঘাতের প্রভাব রাজ্যের অর্থনীতিতেও পড়েছে।
সূত্র: ইত্তেফাক/এসএ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বুধবার ভোর ৪টার দিকে তামেনংলং ও কাংপোকপি জেলার সীমান্তবর্তী লসান, সংপিবুং ও টি খোলমুন—এই তিন কুকি-অধ্যুষিত গ্রামে ভারী অস্ত্র নিয়ে গুলি চালায় হামলাকারীরা। ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ লাইন মেরামতের কাজে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে বিদ্যুৎকর্মী পাওজাঙ্গাম চোংলোই নিহত হন।
হামলার পর লসান গ্রামের প্রধান কাংপোকপি থানায় একটি ‘জিরো এফআইআর’ দায়ের করেন।
একই সময়ে কাংপোকপি ও ননে জেলার আরও পাঁচটি নাগা-অধ্যুষিত গ্রাম—মাকুই চামরিউপিউ, লাংকা, থানাম্বা, তা জেইকাইফুন ও কাপনিংচিং মুক্তি—সশস্ত্র হামলার শিকার হয়। হামলার আতঙ্কে এসব গ্রামের বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে চলে যান।
কাপনিংচিং মুক্তি গ্রামে চারটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে গ্রামের সশস্ত্র স্বেচ্ছাসেবকেরা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করতে এগিয়ে এলে তারা সেখান থেকে পিছু হটে।
মাকুই চামরিউপিউ গ্রামের কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সরকারের সঙ্গে ‘সাসপেনশন অব অপারেশন’ চুক্তির আওতায় থাকা কেএনএফ (পি), কেএনএফ (এন) ও কেআরএর মতো কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন এই হামলায় জড়িত। তবে অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মণিপুরে জাতিগত সংঘাত দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এ সংঘাতের কারণে হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। দীর্ঘদিনের এই সংঘাতের প্রভাব রাজ্যের অর্থনীতিতেও পড়েছে।
সূত্র: ইত্তেফাক/এসএ

আপনার মতামত লিখুন