শুক্রবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব চত্বরে ‘ইসলামী বইমেলা ও প্রকাশনা সেক্টরের বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষীদের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানানো হয়। প্রকাশকদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন সিয়ান পাবলিকেশন্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবু তাসমিয়া আহমদ রফিক।
আহমদ রফিক বলেন, কোনো নির্দিষ্ট বই নিয়ে অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট বইয়ের নাম, আপত্তিকর অংশ, অধ্যায় এবং সুস্পষ্ট প্রমাণ তুলে ধরা প্রয়োজন। যথাযথ প্রমাণ ছাড়া কোনো লেখক বা প্রকাশকের অতীত পরিচয়ের ভিত্তিতে পুরো প্রকাশনা খাতকে অভিযুক্ত করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তিনি আরও বলেন, কোনো বই প্রকাশ কিংবা বিক্রি করার অর্থ এই নয় যে প্রকাশক ওই বইয়ের আদর্শ বা নীতিগত অবস্থানকে সমর্থন করেন। বাংলাদেশে অ্যাডলফ হিটলারের ‘মাইন কাম্পফ’, মাও সেতুং ও জোসেফ স্টালিনের রাজনৈতিক রচনা এবং মার্কসবাদী তাত্ত্বিক বই সহজেই বিক্রি হলেও সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন না উঠলে ইসলামি বই বা প্রকাশকদের ক্ষেত্রে কেন ভিন্ন মানদণ্ড প্রয়োগ করা হবে—এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মেলার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, হাজার হাজার কুরআন, হাদিস, তাফসির, ইতিহাস এবং শিশু-কিশোরদের ইতিবাচক বইয়ের বিপরীতে অল্প কয়েকটি বিতর্কিত বইকে সামনে এনে পুরো মেলার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা ঠিক নয়। একই সঙ্গে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে কোনো পূর্বনির্ধারিত ধারণা না রেখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপটে প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়।
প্রকাশকরা সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো পুনরায় যাচাই করার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধনী প্রকাশের অনুরোধ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা ২০২৬ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ও রুহামা পাবলিকেশনের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম, সন্দ্বীপন প্রকাশনীর প্রকাশক রোকন উদ্দিন, মাকতাবাতুল খিদমাহর প্রকাশক মাওলানা আবদুল মান্নান, রাহনুমা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী মাহমুদুল ইসলাম তুষার, মাকতাবাতুল আযহারের স্বত্বাধিকারী উবাইতুল্লাহ আযহারী, পেনফিল্ড পাবলিকেশনের স্বত্বাধিকারী শিবলী মেহেদি, রাইয়ান প্রকাশনীর প্রকাশক মিথুন এবং মাকতাবাতুন নূরের প্রকাশক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব চত্বরে ‘ইসলামী বইমেলা ও প্রকাশনা সেক্টরের বিরুদ্ধে ইসলামবিদ্বেষীদের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানানো হয়। প্রকাশকদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন সিয়ান পাবলিকেশন্সের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবু তাসমিয়া আহমদ রফিক।
আহমদ রফিক বলেন, কোনো নির্দিষ্ট বই নিয়ে অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট বইয়ের নাম, আপত্তিকর অংশ, অধ্যায় এবং সুস্পষ্ট প্রমাণ তুলে ধরা প্রয়োজন। যথাযথ প্রমাণ ছাড়া কোনো লেখক বা প্রকাশকের অতীত পরিচয়ের ভিত্তিতে পুরো প্রকাশনা খাতকে অভিযুক্ত করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তিনি আরও বলেন, কোনো বই প্রকাশ কিংবা বিক্রি করার অর্থ এই নয় যে প্রকাশক ওই বইয়ের আদর্শ বা নীতিগত অবস্থানকে সমর্থন করেন। বাংলাদেশে অ্যাডলফ হিটলারের ‘মাইন কাম্পফ’, মাও সেতুং ও জোসেফ স্টালিনের রাজনৈতিক রচনা এবং মার্কসবাদী তাত্ত্বিক বই সহজেই বিক্রি হলেও সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন না উঠলে ইসলামি বই বা প্রকাশকদের ক্ষেত্রে কেন ভিন্ন মানদণ্ড প্রয়োগ করা হবে—এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মেলার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে বলা হয়, হাজার হাজার কুরআন, হাদিস, তাফসির, ইতিহাস এবং শিশু-কিশোরদের ইতিবাচক বইয়ের বিপরীতে অল্প কয়েকটি বিতর্কিত বইকে সামনে এনে পুরো মেলার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা ঠিক নয়। একই সঙ্গে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে কোনো পূর্বনির্ধারিত ধারণা না রেখে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপটে প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়।
প্রকাশকরা সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো পুনরায় যাচাই করার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধনী প্রকাশের অনুরোধ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ইসলামী বইমেলা ২০২৬ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ও রুহামা পাবলিকেশনের স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম, সন্দ্বীপন প্রকাশনীর প্রকাশক রোকন উদ্দিন, মাকতাবাতুল খিদমাহর প্রকাশক মাওলানা আবদুল মান্নান, রাহনুমা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী মাহমুদুল ইসলাম তুষার, মাকতাবাতুল আযহারের স্বত্বাধিকারী উবাইতুল্লাহ আযহারী, পেনফিল্ড পাবলিকেশনের স্বত্বাধিকারী শিবলী মেহেদি, রাইয়ান প্রকাশনীর প্রকাশক মিথুন এবং মাকতাবাতুন নূরের প্রকাশক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন