যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যৌথ হামলা শুরুর পর যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে, তা অবসানের লক্ষ্যে ইরান একটি প্রস্তাব দিয়েছে। এতে ওয়াশিংটন তাদের শর্ত মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যে কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধ বন্ধের কথা বলা হয়েছে।
শুক্রবার জাতিসংঘে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাত দিনের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা পাঠানো হয়েছে। মার্কিন পক্ষ চুক্তি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে আন্তরিক হলে সব প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আরাগচি বলেন, ‘এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। ইরান কোনো চাপ, হুমকি বা ভয়ভীতি সহ্য করবে না এবং চাপের মুখে সার্বভৌম অধিকার বিসর্জন দেবে না।’
এর কয়েক ঘণ্টা পর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানায়, ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তেহরান তাদের শর্ত বাস্তবায়ন করবে কি না, তা নিয়ে ট্রাম্প সংশয় প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি নতুন করে বোমাবর্ষণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইরানের প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা মওকুফ এবং লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় ফেরার কথাও বলা হয়। প্রস্তাবটি গত জুনে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির মতো ছিল।
গত ১৭ জুন ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে ১৪ দফার একটি চুক্তিতে সই করেন। ওই চুক্তিতে লেবাননসহ সব ধরনের সামরিক অভিযান তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা এবং ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর প্রতিশ্রুতি ছিল।
তবে ৮ জুলাই ট্রাম্প চুক্তিটি বাতিল ঘোষণা করেন। এর এক সপ্তাহ পর ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে তেহরান সমঝোতা স্মারক স্থগিত করে।
এদিকে, হোয়াইট হাউস শুক্রবার জানিয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যৌথ হামলা শুরুর পর যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে, তা অবসানের লক্ষ্যে ইরান একটি প্রস্তাব দিয়েছে। এতে ওয়াশিংটন তাদের শর্ত মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যে কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধ বন্ধের কথা বলা হয়েছে।
শুক্রবার জাতিসংঘে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানান, কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাত দিনের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা পাঠানো হয়েছে। মার্কিন পক্ষ চুক্তি এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে আন্তরিক হলে সব প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
আরাগচি বলেন, ‘এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের। ইরান কোনো চাপ, হুমকি বা ভয়ভীতি সহ্য করবে না এবং চাপের মুখে সার্বভৌম অধিকার বিসর্জন দেবে না।’
এর কয়েক ঘণ্টা পর দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানায়, ট্রাম্প ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তেহরান তাদের শর্ত বাস্তবায়ন করবে কি না, তা নিয়ে ট্রাম্প সংশয় প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি নতুন করে বোমাবর্ষণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ইরানের প্রস্তাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা মওকুফ এবং লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি মেনে নিলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় ফেরার কথাও বলা হয়। প্রস্তাবটি গত জুনে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির মতো ছিল।
গত ১৭ জুন ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ বন্ধে ১৪ দফার একটি চুক্তিতে সই করেন। ওই চুক্তিতে লেবাননসহ সব ধরনের সামরিক অভিযান তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করা এবং ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর প্রতিশ্রুতি ছিল।
তবে ৮ জুলাই ট্রাম্প চুক্তিটি বাতিল ঘোষণা করেন। এর এক সপ্তাহ পর ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে তেহরান সমঝোতা স্মারক স্থগিত করে।
এদিকে, হোয়াইট হাউস শুক্রবার জানিয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন।
সূত্র: এনডিটিভি

আপনার মতামত লিখুন