বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামে জশনে জুলুস ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মোছাইব উদ্দিন বখতিয়ার বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ধরায় আগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল বা জশনে জুলুস আয়োজন করা সুন্নত ও সওয়াবের কাজ। তাঁর দাবি, কোটি কোটি আশেকে রাসুল আনন্দ ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি শ্রেণি অকারণে জশনে জুলুসের বিরোধিতা করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাঁর ভাষ্য, সুস্থ মস্তিষ্কের কোনো ঈমানদার মানুষ মহানবী (সা.)-এর জন্ম উপলক্ষে আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রার বিরোধিতা করতে পারেন না।
চট্টগ্রামের জশনে জুলুসের ব্যাপকতা ও গুরুত্ব তুলে ধরে ট্রাস্টের এই মুখপাত্র বলেন, প্রতিবছর পবিত্র ও তরিকতভিত্তিক পরিবেশে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন।
তিনি দাবি করেন, চট্টগ্রামের জশনে জুলুস বিশ্বের বৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রাগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এ আয়োজন একটি স্বতন্ত্র দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মোছাইব উদ্দিন বখতিয়ার আরও বলেন, এমন একটি ইতিবাচক ও আধ্যাত্মিক আয়োজনের বিরুদ্ধে কটূক্তি কিংবা অপপ্রচার চালানো সংকীর্ণ মানসিকতার প্রকাশ। বিতর্ক ও সমালোচনার পরিবর্তে জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: দৈনিক দেশের পত্র

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামে জশনে জুলুস ও ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
মোছাইব উদ্দিন বখতিয়ার বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ধরায় আগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল বা জশনে জুলুস আয়োজন করা সুন্নত ও সওয়াবের কাজ। তাঁর দাবি, কোটি কোটি আশেকে রাসুল আনন্দ ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এই শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, একটি শ্রেণি অকারণে জশনে জুলুসের বিরোধিতা করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তাঁর ভাষ্য, সুস্থ মস্তিষ্কের কোনো ঈমানদার মানুষ মহানবী (সা.)-এর জন্ম উপলক্ষে আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রার বিরোধিতা করতে পারেন না।
চট্টগ্রামের জশনে জুলুসের ব্যাপকতা ও গুরুত্ব তুলে ধরে ট্রাস্টের এই মুখপাত্র বলেন, প্রতিবছর পবিত্র ও তরিকতভিত্তিক পরিবেশে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন।
তিনি দাবি করেন, চট্টগ্রামের জশনে জুলুস বিশ্বের বৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রাগুলোর অন্যতম। বাংলাদেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এ আয়োজন একটি স্বতন্ত্র দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মোছাইব উদ্দিন বখতিয়ার আরও বলেন, এমন একটি ইতিবাচক ও আধ্যাত্মিক আয়োজনের বিরুদ্ধে কটূক্তি কিংবা অপপ্রচার চালানো সংকীর্ণ মানসিকতার প্রকাশ। বিতর্ক ও সমালোচনার পরিবর্তে জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে মহানবী (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সূত্র: দৈনিক দেশের পত্র

আপনার মতামত লিখুন