ঢাকা    মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

নির্বাচন

নবাবগঞ্জে বিক্রয় প্রতিনিধি জোটের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন: সভাপতি গলাচিপার সন্তান নাজমুল হাসান

বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোট, নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০ শাখার ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে গলাচিপা উপজেলার কৃতি সন্তান  সংগঠনের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল হাসান সভাপতি পদে বিজয় লাভ করেছেন।শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা সম্পন্ন করে বিকেল ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।ফলাফল ঘোষণা করেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের বড় ভাই, অ্যাডভোকেট খন্দকার আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক, নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।নির্বাচনে সভাপতি পদে মোঃ নাজমুল হাসান বিজয়ী হওয়ায় সংগঠনের নেতাকর্মী ও সদস্যদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত সভাপতিকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন খন্দকার আব্রার ফাহিম, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।সংগঠনের সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন, মোঃ নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোট, নবাবগঞ্জ শাখা আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে এবং বিক্রয় প্রতিনিধিদের অধিকার ও কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।নির্বাচনকে ঘিরে পুরো সময়জুড়ে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

নির্বাচন ৩০ আগস্ট ২০২৬

সিরাজগঞ্জ রিক্সাভ্যান শ্রমিক নির্বাচন সম্পন্ন

উৎসব মুখর পরিবেশে সিরাজগঞ্জ জেলা ভ্যানরিক্সা শ্রমিক নির্বাচন সম্পন্ন। হাজি আব্দুস সাত্তারের তত্বাবধানে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় বিভিন্ন মহল সাধুবাদ জানিয়েছেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি কে। 

নির্বাচন ২১ আগস্ট ২০২৬

মনপুরায় ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম হাজিরহাট ইউনিয়ন, আলোচনায় বিএনপির একাধিক প্রার্থী ও জামায়াতের একক প্রার্থী।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোলার মনপুরা উপজেলার ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা-সমালোচনায় ইতোমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গন।২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির একাধিক নেতার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আঃ খালেক সেলিম মোল্লা, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিন, মনপুরা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হোসেন হাওলাদার এবং মনপুরা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান।অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে হাজিরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী হিসেবে মনপুরা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আমিনুল ইহসান জসিমের নাম আলোচনায় রয়েছে। ফলে বিএনপির একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ও জামায়াতের একক প্রার্থীকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে।স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মাঠপর্যায়ে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।তবে এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও প্রার্থীতা চূড়ান্ত না হওয়ায় মাঠের সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কে দলীয় সমর্থন বা মনোনয়ন পান, সেটিই হতে পারে হাজিরহাট ইউনিয়নের নির্বাচনী রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।এদিকে জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী থাকায় দলটির অবস্থানও নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতা হয়, নাকি একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকেন এটির ওপরও নির্বাচনের হিসাব-নিকাশ অনেকটাই নির্ভর করবে।সব মিলিয়ে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ। শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনী মাঠে থাকছেন এবং ভোটারদের রায় কার পক্ষে যাচ্ছে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়া পর্যন্ত।

নির্বাচন ২০ আগস্ট ২০২৬

গলাচিপার আগামীর প্রত্যাশা—নাজমুল হুদা রিপন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী নাজমুল হুদা রিপনকে ঘিরে গলাচিপা পৌরবাসীর মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সমর্থকদের মতে, তিনি একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছেন।তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, নির্বাচনের সময়ের প্রচারণার বাইরেও সাধারণ মানুষের কথা শোনা এবং বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো নাজমুল হুদা রিপনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।মেয়র নির্বাচিত হলে গলাচিপা পৌরসভাকে দুর্নীতি, বৈষম্য ও অনিয়মমুক্ত এবং জনবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি কাজ করবেন—এমন প্রত্যাশা করছেন তাঁর সমর্থকরা। একই সঙ্গে দল-মত ও পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রত্যেক নাগরিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়েছে।সমর্থকদের আশা, আসন্ন নির্বাচনে গলাচিপার জনগণ যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব বেছে নেবেন।তাঁদের প্রত্যাশা—যোগ্য নেতৃত্বে বদলে যাবে গলাচিপা। ইনশাআল্লাহ।

নির্বাচন ১১ আগস্ট ২০২৬

২১ জুলাই চূড়ান্ত হবে স্থানীয় নির্বাচনের আচরণবিধি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি স্তরের জন্য প্রস্তাবিত নির্বাচনী আচরণবিধির খসড়া আগামী ২১ জুলাই চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওই দিন কমিশন সভায় খসড়াগুলো পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।এর আগে গত ১০ জুন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য পৃথক আচরণবিধির খসড়া নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে নিবন্ধিত ৫৬টি রাজনৈতিক দলের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে খসড়া পাঠিয়ে মতামত আহ্বান করা হয়। ৩০ জুনের মধ্যে লিখিতভাবে মতামত জমা দিতে বলা হয়েছিল।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি পর্যায় থেকে মোট ১১টি মতামত জমা পড়ে। এসব মতামত পর্যালোচনার পর কমিশন কয়েকটি ছোটখাটো সংশোধনের সুপারিশ গ্রহণ করেছে। আগামী ২১ জুলাই কমিশন সভায় সেগুলোর ভিত্তিতেই আচরণবিধির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।তবে আচরণবিধি চূড়ান্ত করার আগে রাজনৈতিক দল বা অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলাদা কোনো সংলাপে বসার পরিকল্পনা নেই ইসির। কমিশনের মতে, এ ধরনের আলোচনার জন্য জাতীয় সংসদই উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম।নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বলেন, খসড়া আচরণবিধি নিয়ে মাত্র ১১টি মতামত পাওয়া গেছে। সেগুলো পর্যালোচনা করে কয়েকটি সীমিত পরিসরের পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক দল সংসদীয় কার্যক্রমে ব্যস্ত। তারা চাইলে সংসদেই এসব বিষয়ে আলোচনা করতে পারবেন। তাই এ বিষয়ে আলাদা সংলাপ আয়োজনের প্রয়োজন দেখছে না নির্বাচন কমিশন।প্রস্তাবিত আচরণবিধিতে নির্বাচনী অনিয়ম রোধে বেশ কিছু কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টকে লিখিত আদেশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারণার সময়সীমা কমানো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। খসড়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি, ঋণখেলাপি এবং ঋণখেলাপির জামিনদারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখার সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নির্বাচন ১৯ জুলাই ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের সভাপতি নিয়াজ, সম্পাদক কামাল গোকদার।

ভোলার ঐতিহ্যবাহী চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজকে পুনরায় সভাপতি এবং কামাল গোলদারকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।গতকাল শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত নয়টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে উৎসবমুখর পরিবেশে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হলেও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হবে।প্রেসক্লাবের সাবেক তিন সভাপতি অধ্যক্ষ ডিএম ফারুক, অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও হাবিবুর রহমান সেলিম নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন।এর আগে সন্ধ্যা সাতটা থেকেই প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অর্ধশতাধিক প্রবীণ ও নবীন সদস্যের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলার সৃষ্টি হয়। সদস্যদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা শেষ হওয়ার পর নতুন কমিটি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।সাধারণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবদুল জলিল, শহিদুল ইসলাম দুলাল, অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, আলহাজ কামাল মিয়াজী, রেদওয়ানুল হক, মাওলানা রুহুল আমিন, হারুন অর রশিদ, রুহুল আমিন বাবুল, সোহরাব হোসেন লিটন ও মোস্তাফিজুর রহমানসহ প্রেসক্লাবের সদস্যরা।

নির্বাচন ১৮ জুলাই ২০২৬

আসন্ন মদন পৌরসভা নির্বাচন প্রচারণায় কাউন্সিলর প্রার্থী সাফায়েত হোসেন

 | নেত্রকোনা প্রতিনিধিআসন্ন মদন পৌরসভা নির্বাচনে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন মো. সাফায়েত হোসেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সামাজিক, মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকায় স্থানীয়দের একটি অংশের মধ্যে তিনি আলোচনায় রয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ জানান, বিভিন্ন সময় এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন সাফায়েত হোসেন। তাদের প্রত্যাশা, নির্বাচিত হলে তিনি ওয়ার্ডের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখবেন।স্থানীয়দের মতে, রাস্তা-ঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে তিনি বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন। প্রবীণদের একটি অংশের ধারণা, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হতে পারে।ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীদের একাংশের ভাষ্য, সাফায়েত হোসেন মানুষের সমস্যার কথা শোনেন এবং সমাধানের চেষ্টা করেন। তারা মনে করেন, নির্বাচিত হলে তিনি জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃতভাবে পরিচালনা করতে পারবেন।নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. সাফায়েত হোসেন বলেন, “জনগণই আমার শক্তি, জনগণই আমার ভরসা। আমি ক্ষমতা ভোগের জন্য নয়, ওয়ার্ডবাসীর সেবা করার জন্য কাজ করতে চাই। ৮ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক ও উন্নত মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তর করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে রাস্তা-ঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জননিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কাজ করবেন। পাশাপাশি তরুণদের মাদকমুক্ত রেখে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং নারীদের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ারও অঙ্গীকার করেন।তিনি আরও বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে ওয়ার্ডের সার্বিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণে কাজ করতে চান। স্থানীয়দের একাংশের প্রত্যাশা, নির্বাচিত হলে সাফায়েত হোসেন জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখবেন। অন্যদিকে, সাফায়েত হোসেন আশা প্রকাশ করেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারবেন।

নির্বাচন ১৮ জুলাই ২০২৬