ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে ভালোবাসার বন্ধনে একটি সুন্দর শহর গড়ার স্বপ্ন—ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন করে ধ্বনিত হচ্ছে সম্প্রীতির এই সুর। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ নির্বাচনকে সামনে রেখে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে খোলামেলা আলোচনায় মেতেছিলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন।বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ভূল্লী উপজেলার বড়গাঁও ইউনিয়নের কদম রসুল হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।তিনি বলেন "আমাদের এই ঠাকুরগাঁও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভূমি। যুগের পর যুগ ধরে হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাইয়ের মতো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাস করে আসছি। শুধু ভোটের হিসাবের জন্য নয়, আমি একটি স্থায়ী শান্তির ঠাকুরগাঁও গড়ে তুলতে চাই—যেখানে কেউ নিজেকে 'সংখ্যালঘু' মনে করবেন না, বরং প্রত্যেকেই একজন গর্বিত বাংলাদেশী হিসেবে নিজের পূর্ণ নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিয়ে বাস করবেন।" মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের মানুষরা তাদের দৈনন্দিন সমস্যা, নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কার কথা এবং পূজা-পার্বণে মন্দিরগুলোর বিশেষ সুরক্ষার দাবি তুলে ধরেন। মির্জা ফয়সাল আমীন এসব দাবির জবাবে প্রতিশ্রুতি দেন—সনাতনীদের প্রতিটি ন্যায্য অধিকার রক্ষা এবং ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে তার মূল অগ্রাধিকার।নেতাকর্মী ও স্থানীয় অধিবাসীদের উপস্থিতিতে এই আলোচনা সভাটি শুধু রাজনৈতিক প্রচারণাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং রুপ নিয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনে।
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই গণ সংযোগে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন রতনদী-তালতলী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও এলাকার কৃতী সন্তান অ্যাডভোকেট খবির হোসাইন।এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ইউনিয়নের কাটাখালী বাজারে গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় তিনি সাধারণ জনগণের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে হ্যান্ডবিল বিতরণ করেন।গণসংযোগকালে অ্যাডভোকেট খবির হোসাইন এলাকার মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। তিনি নির্বাচিত হলে জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।তিনি বলেন, জনগণের ভোট ও ভালোবাসায় নির্বাচিত হতে পারলে ইউনিয়ন পরিষদকে জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে সরকারি সেবা পেতে সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের হয়রানি বা অনিয়মের শিকার না হন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান।গণসংযোগে তিনি বাটপারি, চুরি, ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। জনগণের অধিকার ও ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করতে সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে কাজ করার আশ্বাস দেন।এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তার সঙ্গে গণসংযোগে অংশ নেন। বাজারের ব্যবসায়ী, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে তাদের সমর্থন ও দোয়া কামনা করেন অ্যাডভোকেট খবির হোসাইন।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন উপজেলাভিত্তিকভাবে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ পদ্ধতিতে একটি উপজেলার আওতাধীন সব ইউনিয়ন পরিষদে একই সময়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য ধাপ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ইসি সচিব জানান, ইউপি নির্বাচন কয়েকটি ধাপে আয়োজন করা হবে। তবে নির্বাচন পাঁচ ধাপে হবে নাকি ছয় ধাপে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।তিনি বলেন, সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই উপজেলাভিত্তিকভাবে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে এক ধাপে এবং অন্য ইউনিয়নগুলোতে ভিন্ন ধাপে নির্বাচন হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতেই একটি উপজেলার সব ইউনিয়নে একযোগে ভোট নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।চূড়ান্ত নির্বাচনী তফসিল কবে ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, তফসিল ঘোষণার বিষয়টি পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। এ মুহূর্তে তফসিলের নির্দিষ্ট কোনো তথ্য তাঁর কাছে নেই।স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী বিধিমালা সংস্কারের সম্ভাব্য উদ্যোগের বিষয়ে ইসি সচিব জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় পোস্টার ব্যবহারের সুযোগ না রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে বিধিমালায় আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে বলা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে একটি প্রাথমিক রোডম্যাপ প্রকাশ করেন। তিনি জানিয়েছিলেন, আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে নভেম্বর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে সারাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।এরপর পর্যায়ক্রমে সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও জেলা পরিষদের নির্বাচন আয়োজন করা হবে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট
সারাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কয়েক ধাপে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে মোট কত ধাপে নির্বাচন হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এরই মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে ইসি।ইসি জানিয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হবে উপজেলাভিত্তিক। অর্থাৎ একটি উপজেলার আওতাধীন সব ইউনিয়ন পরিষদে একই সঙ্গে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নির্বাচন কমিশনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।তিনি বলেন, একটি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে এক ধাপে এবং বাকি ইউনিয়নগুলো অন্য ধাপে নির্বাচন করা হলে প্রশাসনিক ও নির্বাচনী কার্যক্রমে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। এ কারণে একটি উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন একই সঙ্গে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সারাদেশে নির্বাচন কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।ইসি সচিব আরও জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সাংবাদিকদের কার্ড ইস্যুর বিষয়ে একটি কমিটি কাজ করছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা দেওয়ার কথা রয়েছে। কমিটির প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও সমন্বিতভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোট, নবাবগঞ্জ, ঢাকা-১৩২০ শাখার ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে গলাচিপা উপজেলার কৃতি সন্তান সংগঠনের সাবেক সফল সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল হাসান সভাপতি পদে বিজয় লাভ করেছেন।শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা সম্পন্ন করে বিকেল ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।ফলাফল ঘোষণা করেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের বড় ভাই, অ্যাডভোকেট খন্দকার আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক, নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।নির্বাচনে সভাপতি পদে মোঃ নাজমুল হাসান বিজয়ী হওয়ায় সংগঠনের নেতাকর্মী ও সদস্যদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত সভাপতিকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন খন্দকার আব্রার ফাহিম, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।সংগঠনের সদস্যরা আশা প্রকাশ করেন, মোঃ নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিক্রয় প্রতিনিধি জোট, নবাবগঞ্জ শাখা আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে এবং বিক্রয় প্রতিনিধিদের অধিকার ও কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।নির্বাচনকে ঘিরে পুরো সময়জুড়ে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
উৎসব মুখর পরিবেশে সিরাজগঞ্জ জেলা ভ্যানরিক্সা শ্রমিক নির্বাচন সম্পন্ন। হাজি আব্দুস সাত্তারের তত্বাবধানে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় বিভিন্ন মহল সাধুবাদ জানিয়েছেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি কে।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোলার মনপুরা উপজেলার ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ, নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা-সমালোচনায় ইতোমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গন।২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির একাধিক নেতার নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে স্থানীয়ভাবে আলোচনায় রয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মনপুরা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আঃ খালেক সেলিম মোল্লা, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দিন, মনপুরা উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হোসেন হাওলাদার এবং মনপুরা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জিয়াউর রহমান।অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে হাজিরহাট ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী হিসেবে মনপুরা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আমিনুল ইহসান জসিমের নাম আলোচনায় রয়েছে। ফলে বিএনপির একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ও জামায়াতের একক প্রার্থীকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে।স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মাঠপর্যায়ে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের মাধ্যমে নিজেদের জনপ্রিয়তা জানান দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।তবে এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ও প্রার্থীতা চূড়ান্ত না হওয়ায় মাঠের সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কে দলীয় সমর্থন বা মনোনয়ন পান, সেটিই হতে পারে হাজিরহাট ইউনিয়নের নির্বাচনী রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।এদিকে জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী থাকায় দলটির অবস্থানও নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতা হয়, নাকি একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকেন এটির ওপরও নির্বাচনের হিসাব-নিকাশ অনেকটাই নির্ভর করবে।সব মিলিয়ে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ২নং হাজিরহাট ইউনিয়নে শুরু হয়েছে নানা হিসাব-নিকাশ। শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনী মাঠে থাকছেন এবং ভোটারদের রায় কার পক্ষে যাচ্ছে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়া পর্যন্ত।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী নাজমুল হুদা রিপনকে ঘিরে গলাচিপা পৌরবাসীর মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। সমর্থকদের মতে, তিনি একজন সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব ব্যক্তি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছেন।তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য, নির্বাচনের সময়ের প্রচারণার বাইরেও সাধারণ মানুষের কথা শোনা এবং বিপদে-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো নাজমুল হুদা রিপনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।মেয়র নির্বাচিত হলে গলাচিপা পৌরসভাকে দুর্নীতি, বৈষম্য ও অনিয়মমুক্ত এবং জনবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি কাজ করবেন—এমন প্রত্যাশা করছেন তাঁর সমর্থকরা। একই সঙ্গে দল-মত ও পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রত্যেক নাগরিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়েছে।সমর্থকদের আশা, আসন্ন নির্বাচনে গলাচিপার জনগণ যোগ্য, সৎ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব বেছে নেবেন।তাঁদের প্রত্যাশা—যোগ্য নেতৃত্বে বদলে যাবে গলাচিপা। ইনশাআল্লাহ।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি স্তরের জন্য প্রস্তাবিত নির্বাচনী আচরণবিধির খসড়া আগামী ২১ জুলাই চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওই দিন কমিশন সভায় খসড়াগুলো পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।এর আগে গত ১০ জুন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য পৃথক আচরণবিধির খসড়া নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে নিবন্ধিত ৫৬টি রাজনৈতিক দলের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে খসড়া পাঠিয়ে মতামত আহ্বান করা হয়। ৩০ জুনের মধ্যে লিখিতভাবে মতামত জমা দিতে বলা হয়েছিল।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি পর্যায় থেকে মোট ১১টি মতামত জমা পড়ে। এসব মতামত পর্যালোচনার পর কমিশন কয়েকটি ছোটখাটো সংশোধনের সুপারিশ গ্রহণ করেছে। আগামী ২১ জুলাই কমিশন সভায় সেগুলোর ভিত্তিতেই আচরণবিধির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।তবে আচরণবিধি চূড়ান্ত করার আগে রাজনৈতিক দল বা অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলাদা কোনো সংলাপে বসার পরিকল্পনা নেই ইসির। কমিশনের মতে, এ ধরনের আলোচনার জন্য জাতীয় সংসদই উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম।নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বলেন, খসড়া আচরণবিধি নিয়ে মাত্র ১১টি মতামত পাওয়া গেছে। সেগুলো পর্যালোচনা করে কয়েকটি সীমিত পরিসরের পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক দল সংসদীয় কার্যক্রমে ব্যস্ত। তারা চাইলে সংসদেই এসব বিষয়ে আলোচনা করতে পারবেন। তাই এ বিষয়ে আলাদা সংলাপ আয়োজনের প্রয়োজন দেখছে না নির্বাচন কমিশন।প্রস্তাবিত আচরণবিধিতে নির্বাচনী অনিয়ম রোধে বেশ কিছু কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টকে লিখিত আদেশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারণার সময়সীমা কমানো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। খসড়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি, ঋণখেলাপি এবং ঋণখেলাপির জামিনদারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখার সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ভোলার ঐতিহ্যবাহী চরফ্যাশন প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে জুলফিকার মাহমুদ নিয়াজকে পুনরায় সভাপতি এবং কামাল গোলদারকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।গতকাল শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাত নয়টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে উৎসবমুখর পরিবেশে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হলেও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হবে।প্রেসক্লাবের সাবেক তিন সভাপতি অধ্যক্ষ ডিএম ফারুক, অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও হাবিবুর রহমান সেলিম নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন।এর আগে সন্ধ্যা সাতটা থেকেই প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অর্ধশতাধিক প্রবীণ ও নবীন সদস্যের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলার সৃষ্টি হয়। সদস্যদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা শেষ হওয়ার পর নতুন কমিটি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।সাধারণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবদুল জলিল, শহিদুল ইসলাম দুলাল, অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান, আলহাজ কামাল মিয়াজী, রেদওয়ানুল হক, মাওলানা রুহুল আমিন, হারুন অর রশিদ, রুহুল আমিন বাবুল, সোহরাব হোসেন লিটন ও মোস্তাফিজুর রহমানসহ প্রেসক্লাবের সদস্যরা।