স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি স্তরের জন্য প্রস্তাবিত নির্বাচনী আচরণবিধির খসড়া আগামী ২১ জুলাই চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওই দিন কমিশন সভায় খসড়াগুলো পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে গত ১০ জুন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য পৃথক আচরণবিধির খসড়া নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে নিবন্ধিত ৫৬টি রাজনৈতিক দলের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে খসড়া পাঠিয়ে মতামত আহ্বান করা হয়। ৩০ জুনের মধ্যে লিখিতভাবে মতামত জমা দিতে বলা হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি পর্যায় থেকে মোট ১১টি মতামত জমা পড়ে। এসব মতামত পর্যালোচনার পর কমিশন কয়েকটি ছোটখাটো সংশোধনের সুপারিশ গ্রহণ করেছে। আগামী ২১ জুলাই কমিশন সভায় সেগুলোর ভিত্তিতেই আচরণবিধির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।
তবে আচরণবিধি চূড়ান্ত করার আগে রাজনৈতিক দল বা অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলাদা কোনো সংলাপে বসার পরিকল্পনা নেই ইসির। কমিশনের মতে, এ ধরনের আলোচনার জন্য জাতীয় সংসদই উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম।
নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বলেন, খসড়া আচরণবিধি নিয়ে মাত্র ১১টি মতামত পাওয়া গেছে। সেগুলো পর্যালোচনা করে কয়েকটি সীমিত পরিসরের পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক দল সংসদীয় কার্যক্রমে ব্যস্ত। তারা চাইলে সংসদেই এসব বিষয়ে আলোচনা করতে পারবেন। তাই এ বিষয়ে আলাদা সংলাপ আয়োজনের প্রয়োজন দেখছে না নির্বাচন কমিশন।
প্রস্তাবিত আচরণবিধিতে নির্বাচনী অনিয়ম রোধে বেশ কিছু কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টকে লিখিত আদেশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারণার সময়সীমা কমানো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। খসড়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি, ঋণখেলাপি এবং ঋণখেলাপির জামিনদারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখার সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি স্তরের জন্য প্রস্তাবিত নির্বাচনী আচরণবিধির খসড়া আগামী ২১ জুলাই চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ওই দিন কমিশন সভায় খসড়াগুলো পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে গত ১০ জুন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য পৃথক আচরণবিধির খসড়া নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে নিবন্ধিত ৫৬টি রাজনৈতিক দলের কাছে ই-মেইলের মাধ্যমে খসড়া পাঠিয়ে মতামত আহ্বান করা হয়। ৩০ জুনের মধ্যে লিখিতভাবে মতামত জমা দিতে বলা হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি পর্যায় থেকে মোট ১১টি মতামত জমা পড়ে। এসব মতামত পর্যালোচনার পর কমিশন কয়েকটি ছোটখাটো সংশোধনের সুপারিশ গ্রহণ করেছে। আগামী ২১ জুলাই কমিশন সভায় সেগুলোর ভিত্তিতেই আচরণবিধির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।
তবে আচরণবিধি চূড়ান্ত করার আগে রাজনৈতিক দল বা অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলাদা কোনো সংলাপে বসার পরিকল্পনা নেই ইসির। কমিশনের মতে, এ ধরনের আলোচনার জন্য জাতীয় সংসদই উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম।
নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বলেন, খসড়া আচরণবিধি নিয়ে মাত্র ১১টি মতামত পাওয়া গেছে। সেগুলো পর্যালোচনা করে কয়েকটি সীমিত পরিসরের পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলসহ সব রাজনৈতিক দল সংসদীয় কার্যক্রমে ব্যস্ত। তারা চাইলে সংসদেই এসব বিষয়ে আলোচনা করতে পারবেন। তাই এ বিষয়ে আলাদা সংলাপ আয়োজনের প্রয়োজন দেখছে না নির্বাচন কমিশন।
প্রস্তাবিত আচরণবিধিতে নির্বাচনী অনিয়ম রোধে বেশ কিছু কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রার্থী বা তার নির্বাচনী এজেন্টকে লিখিত আদেশের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে অযোগ্য ঘোষণা করার বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারণার সময়সীমা কমানো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ, মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। খসড়ায় এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি, ঋণখেলাপি এবং ঋণখেলাপির জামিনদারদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখার সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন