কুমিল্লার হোমনায় বার্ষিক প্রধানমন্ত্রীর বাছাইকৃত ফুটবল প্রতিযোগিতার একটি ম্যাচে পক্ষপাতিত্ব ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে হোমনা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে বিষয়টি জানিয়েছেন বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, আজ হোমনা উপজেলার নিলখী মাঠে বাবরকান্দি আলিম মাদ্রাসা বনাম নিলখী হাই স্কুল-এর মধ্যে ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, পুরো খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিল নিলখী হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং তাদের একজন শিক্ষককে ম্যাচের রেফারির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ম্যাচ চলাকালে নিলখী হাই স্কুলের খেলোয়াড়রা একাধিকবার ফাউল করলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত রেফারি সেসব ফাউলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। এতে খেলার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ম্যাচের শুরুতে নিলখী হাই স্কুল একটি গোল করে। পরে বাবরকান্দি আলিম মাদ্রাসা একটি গোল করলেও সেটি বাতিল করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, ওই গোল বাতিলের পর নিলখী হাই স্কুলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
এ ছাড়া খেলা শেষে নিলখী হাই স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও খারাপ আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ করেছে বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পর বিষয়টি হোমনা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মিলন কৃষ্ণ হালধার-এর কাছে জানানো হয়। অভিযোগের বিষয়ে তিনি সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিলখী হাই স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য।
তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা ও ম্যাচ পরিচালনায় কোনো অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট হবে।
বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি—খেলার মাঠে কোনো পক্ষপাত নয়, তারা চান সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
কুমিল্লার হোমনায় বার্ষিক প্রধানমন্ত্রীর বাছাইকৃত ফুটবল প্রতিযোগিতার একটি ম্যাচে পক্ষপাতিত্ব ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে হোমনা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে বিষয়টি জানিয়েছেন বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, আজ হোমনা উপজেলার নিলখী মাঠে বাবরকান্দি আলিম মাদ্রাসা বনাম নিলখী হাই স্কুল-এর মধ্যে ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, পুরো খেলা পরিচালনার দায়িত্বে ছিল নিলখী হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং তাদের একজন শিক্ষককে ম্যাচের রেফারির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ম্যাচ চলাকালে নিলখী হাই স্কুলের খেলোয়াড়রা একাধিকবার ফাউল করলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত রেফারি সেসব ফাউলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি। এতে খেলার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
ম্যাচের শুরুতে নিলখী হাই স্কুল একটি গোল করে। পরে বাবরকান্দি আলিম মাদ্রাসা একটি গোল করলেও সেটি বাতিল করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, ওই গোল বাতিলের পর নিলখী হাই স্কুলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
এ ছাড়া খেলা শেষে নিলখী হাই স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও খারাপ আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ করেছে বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
ঘটনার পর বিষয়টি হোমনা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মিলন কৃষ্ণ হালধার-এর কাছে জানানো হয়। অভিযোগের বিষয়ে তিনি সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিলখী হাই স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য।
তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা ও ম্যাচ পরিচালনায় কোনো অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট হবে।
বাবরকান্দি দারুস সুন্নাত দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি—খেলার মাঠে কোনো পক্ষপাত নয়, তারা চান সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত।

আপনার মতামত লিখুন