পাইকগাছার গদাইপুর ইউনিয়নের মেধাবী শিক্ষার্থী ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মোঃ হোসাইন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গদাইপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল্লাহ মোড়লের কবর জিয়ারত করেছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) তিনি পৃথকভাবে তাদের কবর জিয়ারত করেন। পরে মরহুমদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন এবং শোকসন্তপ্ত স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানান।মোঃ হোসাইন দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। জুলাই আন্দোলনের অন্যতম যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত এই মেধাবী শিক্ষার্থী সম্প্রতি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। অপরদিকে, গদাইপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল্লাহ মোড়ল সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে খুলনা গাজী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।কবর জিয়ারত শেষে আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ মরহুমদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি তাদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং উভয় মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির খুলনা জেলা দক্ষিণের সভাপতি মুহা. অয়েসকুরুনী গদাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন বাংলাদেশ ইসলাম ছাত্রশিবির পাইকগাছা পৌর থানা শাখার সভাপতি মোঃ সাইদুল ইসলাম বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের পাইকগাছা উপজেলা সেক্রেটারি ডা.মোঃ আসাদুল ইসলাম সহ জামায়াতে ইসলামী / ইসলামী ছাত্রশিবির ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।সাক্ষাৎকালে নেতৃবৃন্দও মরহুমদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বরগুনার আমতলীতে খাল খনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত বরাদ্দের চেয়ে কম ব্যয়ে শেষ করে সরকারি কোষাগারে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।জানা গেছে, অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় আমতলী উপজেলায় দুটি খাল খনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে কুকুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া খালের ৩ কিলোমিটার খননের জন্য ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা এবং হলদিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া খালের ২ কিলোমিটার খননের জন্য ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।দুটি প্রকল্পে মোট ৩৯৭ জন অতিদরিদ্র শ্রমিক খননকাজে অংশ নেন। উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে খাল দুটির খননকাজ সম্পন্ন করা হয়। কাজ শেষে বরাদ্দের অব্যবহৃত ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।এ ছাড়া খাল খননের পর সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশ রক্ষায় খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রুনু বেগম বলেন, ইউএনওর দিকনির্দেশনা ও প্রকল্পের কার্যাদেশ অনুযায়ী খননকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কাজ শেষে অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, খাল খনন প্রকল্পটি সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প। নির্দেশনা অনুযায়ী খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বরাদ্দের অব্যবহৃত ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও জানান, ভালোভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তাঁসহ দেশের ৮৪ জন ইউএনওকে ডেকে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে এবং উপজেলা উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হলে উন্নয়নকাজের সুফল আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। সূত্র: আমতলী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়।
সৌদি আরবে সোফা তৈরির একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও নওগাঁ জেলা আমীর খন্দকার আব্দুর রাকিব।অগ্নিকাণ্ডে আত্রাই উপজেলার ১৩ জনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে তিনি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে ছুটে যান। এ সময় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন হারানোর বেদনায় নিহতদের পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোক ও হতাশা বিরাজ করছে।খন্দকার আব্দুর রাকিব নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতায় পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি)-এর বিদায়ী অধিনায়ক (সিও) এবং নবযোগদানকারী অধিনায়কের সাথে এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ ০৩ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে নওগাঁ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম মহোদয়ের সাথে এই সৌজন্য সাক্ষাতে অংশগ্রহণ করেন পত্নীতলা ব্যাটালিয়ন (১৪ বিজিবি)-এর বিদায়ী অধিনায়ক (সিও) লেঃ কর্নেল মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, পিএসসি, ইঞ্জিনিয়ার্স এবং নবযোগদানকারী অধিনায়ক (সিও) লেঃ কর্নেল এহসান হাবীব।সাক্ষাৎকালে পুলিশ সুপার মহোদয় বিদায়ী সিও লেঃ কর্নেল মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন-কে তাঁর সফল কর্মজীবন এবং নওগাঁ জেলায় দায়িত্ব পালনকালীন অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। একই সাথে তিনি নবযোগদানকারী সিও লেঃ কর্নেল এহসান হাবীব-কে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে সম্মাননা উপহার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উভয় বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার, অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মধ্যে সমন্বিত ও পেশাদার ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে আয়োজিত এই মতবিনিময় সভার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ ও বিজিবির মধ্যকার বিদ্যমান ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও আন্তঃবাহিনী সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
নওগাঁর পোরশায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম।সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. নাবিলা ফেরদৌস, পোরশা থানা অফিসার ইনচার্জ জিয়াউর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আতিকুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল আলম এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন।এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সভায় অংশ নেন। সভায় আগামী ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ সুষ্ঠু, সুন্দর ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও রাকিবুল ইসলাম দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং গৃহীত সকল কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ জায়গা থেকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
দেশের শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় নওগাঁর মান্দা উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মোখলেছুর রহমান কামরুলকে ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নওগাঁ জেলা শাখা।মান্দা উপজেলার জনগণের সেবা, ডিজিটাল ইউপি সেবা নিশ্চিতকরণ, আধুনিক ও ন্যায়ভিত্তিক স্থানীয় সরকারব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিক্ষা-সামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সম্প্রতি দেশের ‘শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান’ হিসেবে ভূষিত হন।এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা জামায়াতের শীর্ষনেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংবর্ধনা প্রদানকালে বক্তারা বলেন, “জনপ্রতিনিধি যদি সৎ, যোগ্য এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ হন, তবে সীমিত সম্পদ দিয়েই একটি ইউনিয়নকে রোল মডেলে পরিণত করা সম্ভব। চেয়ারম্যান মো: মোখলেছুর রহমান কামরুল সেই দৃষ্টান্তই স্থাপন করেছেন।”সংবর্ধনার জবাবে তেঁতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো: মোখলেছুর রহমান কামরুল জেলা জামায়াত ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এ অর্জন একা আমার নয়, তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের সকল মানুষের। জনগণের অর্পিত আমানত রক্ষা এবং ন্যায়বিচারের মাধ্যমে একটি মডেল ইউনিয়ন গড়াই আমার মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও যেন দেশ ও জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে পারি, এজন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।” অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামী নওগাঁ জেলার নেতৃবৃন্দ ক্রেস্ট ও ফুলের শুভেচ্ছা তুলে দেন এবং তাঁর ভবিষ্যৎ সাফল্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান রিটনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের নবনিযুক্ত যুগ্ম আহ্বায়ক আক্তারুল হাসান অপু এবং সারওয়ার পারভেজ রকি।বৃহস্পতিবার নগর ভবনে অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে নবনিযুক্ত দুই নেতা তাদের নতুন দায়িত্ব পালনে দিকনির্দেশনা ও শুভকামনা কামনা করেন। এ সময় তারা সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং রাজশাহীর উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।এ সময় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন নবনিযুক্ত নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও ঐক্যকে সমুন্নত রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে যুবসমাজের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে উন্নয়ন, সেবার মানোন্নয়ন ও সমন্বয় নিয়ে আলোচনানেত্রকোনার মদন উপজেলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মুশফিকুর রহমান।মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাদির হোসেন শামীম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা অন্ত কাপুর।সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু তাহের আজাদ, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির রিয়াজ উদ্দিন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুফতি আনোয়ার হোসাইন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নূরু হুদা খান, ওসি (তদন্ত) অসীম কুমার দাস, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. ইমরান হাবিব, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান মিজান, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা প্রণতোষ ঘোষ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক মতিউর রহমান এবং উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান পরশ।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মদন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন তালুকদার, ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফি, গোবিন্দশ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাইদুল ইসলাম খান মামুন, তিয়শ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান এবং দৈনিক ইনকিলাবের উপজেলা প্রতিনিধি মো. মোশাররফ হোসেন বাবুলসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন।সভায় জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয়, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট সমস্যা দ্রুত সমাধান এবং প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে উপস্থিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। মতবিনিময় সভায় উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনসেবার কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে প্রশাসন ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।