বরগুনার আমতলীতে খাল খনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত বরাদ্দের চেয়ে কম ব্যয়ে শেষ করে সরকারি কোষাগারে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় আমতলী উপজেলায় দুটি খাল খনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে কুকুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া খালের ৩ কিলোমিটার খননের জন্য ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা এবং হলদিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া খালের ২ কিলোমিটার খননের জন্য ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
দুটি প্রকল্পে মোট ৩৯৭ জন অতিদরিদ্র শ্রমিক খননকাজে অংশ নেন। উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে খাল দুটির খননকাজ সম্পন্ন করা হয়। কাজ শেষে বরাদ্দের অব্যবহৃত ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।
এ ছাড়া খাল খননের পর সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশ রক্ষায় খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রুনু বেগম বলেন, ইউএনওর দিকনির্দেশনা ও প্রকল্পের কার্যাদেশ অনুযায়ী খননকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কাজ শেষে অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, খাল খনন প্রকল্পটি সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প। নির্দেশনা অনুযায়ী খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বরাদ্দের অব্যবহৃত ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভালোভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তাঁসহ দেশের ৮৪ জন ইউএনওকে ডেকে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে এবং উপজেলা উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হলে উন্নয়নকাজের সুফল আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।
সূত্র: আমতলী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
বরগুনার আমতলীতে খাল খনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত বরাদ্দের চেয়ে কম ব্যয়ে শেষ করে সরকারি কোষাগারে ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে প্রশংসা পেয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় আমতলী উপজেলায় দুটি খাল খনন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে কুকুয়া ইউনিয়নের পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া খালের ৩ কিলোমিটার খননের জন্য ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৮৪২ টাকা এবং হলদিয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া খালের ২ কিলোমিটার খননের জন্য ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
দুটি প্রকল্পে মোট ৩৯৭ জন অতিদরিদ্র শ্রমিক খননকাজে অংশ নেন। উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে খাল দুটির খননকাজ সম্পন্ন করা হয়। কাজ শেষে বরাদ্দের অব্যবহৃত ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে।
এ ছাড়া খাল খননের পর সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিবেশ রক্ষায় খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রুনু বেগম বলেন, ইউএনওর দিকনির্দেশনা ও প্রকল্পের কার্যাদেশ অনুযায়ী খননকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। কাজ শেষে অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, খাল খনন প্রকল্পটি সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প। নির্দেশনা অনুযায়ী খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বরাদ্দের অব্যবহৃত ৩৭ লাখ ৫০ হাজার ৫৪০ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভালোভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তাঁসহ দেশের ৮৪ জন ইউএনওকে ডেকে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে এবং উপজেলা উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা সরকারি অর্থ সাশ্রয় করে প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাঁদের মতে, সরকারি প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হলে উন্নয়নকাজের সুফল আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।
সূত্র: আমতলী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়।

আপনার মতামত লিখুন