ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী এলাকায় আদুরী রানী (২১) নামে এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে আরাজী কেশুরবাড়ি এলাকার আওতাইপাড়ায় বাড়ির পেছনে একটি ধানক্ষেতের সীমানায় সড়ক জিগার গাছের ডাল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত আদুরী রানী ওই এলাকার সূর্য সাহার মেয়ে। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী গ্রামের ক্ষিতীশ দেবনাথের ছেলে কিশোর দেবনাথের (২২) সঙ্গে আদুরীর দীর্ঘ চার-পাঁচ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি তাঁদের সম্পর্ক ও বিয়ের বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এদিকে কিশোরের পরিবার তাঁকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বলে জানা গেছে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর বিয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মনিরুজ্জামান মঞ্জু তাঁদের নিয়ে ঠাকুরগাঁও আদালতে এফিডেভিট করার উদ্দেশ্যে যান। তবে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় তাঁরা ফিরে আসেন।
স্বজনেরা জানান, ওই রাতে আদুরী খাবার খাননি। অসুস্থ বোধ করার কথা জানিয়ে তিনি তাঁর ছোট দুই বোনের সঙ্গে একই কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে তাঁর ছোট ভাই বাড়ির পেছনে গিয়ে একটি গাছের ডালে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে দেখতে পায়। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তাঁকে নিচে নামানো হলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে ভূল্লী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।
ভূল্লী থানার সেকেন্ড অফিসার জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে আপত্তি না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী এলাকায় আদুরী রানী (২১) নামে এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে আরাজী কেশুরবাড়ি এলাকার আওতাইপাড়ায় বাড়ির পেছনে একটি ধানক্ষেতের সীমানায় সড়ক জিগার গাছের ডাল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত আদুরী রানী ওই এলাকার সূর্য সাহার মেয়ে। তিনি ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী গ্রামের ক্ষিতীশ দেবনাথের ছেলে কিশোর দেবনাথের (২২) সঙ্গে আদুরীর দীর্ঘ চার-পাঁচ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি তাঁদের সম্পর্ক ও বিয়ের বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এদিকে কিশোরের পরিবার তাঁকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বলে জানা গেছে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর বিয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মনিরুজ্জামান মঞ্জু তাঁদের নিয়ে ঠাকুরগাঁও আদালতে এফিডেভিট করার উদ্দেশ্যে যান। তবে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় তাঁরা ফিরে আসেন।
স্বজনেরা জানান, ওই রাতে আদুরী খাবার খাননি। অসুস্থ বোধ করার কথা জানিয়ে তিনি তাঁর ছোট দুই বোনের সঙ্গে একই কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে তাঁর ছোট ভাই বাড়ির পেছনে গিয়ে একটি গাছের ডালে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে দেখতে পায়। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তাঁকে নিচে নামানো হলেও ততক্ষণে তাঁর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে ভূল্লী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।
ভূল্লী থানার সেকেন্ড অফিসার জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে আপত্তি না থাকায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন