ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে ময়মনসিংহের রাজনৈতিক অঙ্গন এক অভাবনীয় গণজোয়ারে মুখরিত হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন—ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ওলামা দল, তাঁতি দল এবং মৎস্যজীবী দলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা ও বিশাল র্যালির মাধ্যমে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরের পর থেকেই নগরীর নতুন বাজারস্থ দলীয় কার্যালয় ও এর আশেপাশের চত্বর হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে একখণ্ড জনসমুদ্রে রূপ নেয়। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ময়মনসিংহের এই ঐতিহাসিক জমায়েত স্থানীয় রাজনীতিতে এক নতুন গতি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই নতুন বাজার কালিসংকর গুহ রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে বিশাল একটি মিছিল বের হয়। নানা রঙের ব্যানার, ফেস্টুন এবং সুসজ্জিত প্লাকার্ড হাতে নিয়ে নেতাকর্মীদের স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো শহর। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাউন হলের তারেক স্মৃতি মিলনায়তনে গিয়ে সমবেত হয়। সেখানে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের সম্মানিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।
অনুষ্ঠানের নেতৃত্বের অগ্রভাগে বিশেষ আকর্ষণ ও দিকনির্দেশনামূলক উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সংগ্রামী আহ্বায়ক এবং ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু। এছাড়া জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষস্থানীয় অভিভাবকতুল্য নেতৃবৃন্দের সরব উপস্থিতি জমায়েতের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তারেক স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির দূরদর্শী সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন ও এর রাজনৈতিক তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, এই দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার এক অনন্য মাইলফলক। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং সংহতির অটুট বার্তা আজকের এই সংকটময় সময়েও চলার পথের প্রধান অনুপ্রেরণা। পাশাপাশি, সভার শেষ পর্যায়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং আপসহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশ পরিচালনার সাফল্য কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
সভা সমাপ্ত হওয়ার পর দলীয় বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে ব্যানার-ফেস্টুন ও সুসজ্জিত প্লাকার্ডের বিশাল বহর নিয়ে আরেকটি সুশৃঙ্খল ও বিশাল মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। পরিশেষে, স্টেশন রোড সংলগ্ন তাজমহল মোড়ের ঐতিহাসিক কৃষ্ণচূড়া চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত ও উদ্দীপনামূলক সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ও সফল কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। আজকের এই ব্যাপক জনসমাগম ও শৃঙ্খলিত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহের রাজপথে জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যের এক অবিস্মরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে ময়মনসিংহের রাজনৈতিক অঙ্গন এক অভাবনীয় গণজোয়ারে মুখরিত হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন—ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ওলামা দল, তাঁতি দল এবং মৎস্যজীবী দলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা ও বিশাল র্যালির মাধ্যমে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬) দুপুরের পর থেকেই নগরীর নতুন বাজারস্থ দলীয় কার্যালয় ও এর আশেপাশের চত্বর হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে একখণ্ড জনসমুদ্রে রূপ নেয়। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ময়মনসিংহের এই ঐতিহাসিক জমায়েত স্থানীয় রাজনীতিতে এক নতুন গতি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই নতুন বাজার কালিসংকর গুহ রোডে অবস্থিত দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে বিশাল একটি মিছিল বের হয়। নানা রঙের ব্যানার, ফেস্টুন এবং সুসজ্জিত প্লাকার্ড হাতে নিয়ে নেতাকর্মীদের স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো শহর। মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাউন হলের তারেক স্মৃতি মিলনায়তনে গিয়ে সমবেত হয়। সেখানে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের সম্মানিত সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ।
অনুষ্ঠানের নেতৃত্বের অগ্রভাগে বিশেষ আকর্ষণ ও দিকনির্দেশনামূলক উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সংগ্রামী আহ্বায়ক এবং ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের সংসদ সদস্য জাকির হোসেন বাবলু। এছাড়া জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষস্থানীয় অভিভাবকতুল্য নেতৃবৃন্দের সরব উপস্থিতি জমায়েতের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তারেক স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির দূরদর্শী সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন ও এর রাজনৈতিক তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, এই দিনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার এক অনন্য মাইলফলক। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব, জাতীয় ঐক্য এবং সংহতির অটুট বার্তা আজকের এই সংকটময় সময়েও চলার পথের প্রধান অনুপ্রেরণা। পাশাপাশি, সভার শেষ পর্যায়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং আপসহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশ পরিচালনার সাফল্য কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
সভা সমাপ্ত হওয়ার পর দলীয় বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে ব্যানার-ফেস্টুন ও সুসজ্জিত প্লাকার্ডের বিশাল বহর নিয়ে আরেকটি সুশৃঙ্খল ও বিশাল মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। পরিশেষে, স্টেশন রোড সংলগ্ন তাজমহল মোড়ের ঐতিহাসিক কৃষ্ণচূড়া চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত ও উদ্দীপনামূলক সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ও সফল কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। আজকের এই ব্যাপক জনসমাগম ও শৃঙ্খলিত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহের রাজপথে জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যের এক অবিস্মরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো।

আপনার মতামত লিখুন