শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক। তিনি জানান, জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বারবার কিশোর অপরাধ ও গ্যাং কালচারের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক শিক্ষার্থী মাগরিবের পর পড়াশোনা বাদ দিয়ে অপ্রয়োজনে বাইরে সময় কাটাচ্ছে। তাদের একটি বড় অংশ পরবর্তীতে মাদকের সংস্পর্শে চলে যাচ্ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, এটি কোনো দমনমূলক পদক্ষেপ নয় এবং সন্ধ্যার পর বাইরে থাকলেই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বিচারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে—বিষয়টি এমন নয়। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য কমানো, অভিভাবকদের সচেতন করা এবং শিক্ষার্থীদের মাগরিবের পর অপ্রয়োজনে বাইরে অবস্থান নিরুৎসাহিত করা।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক। তিনি জানান, জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বারবার কিশোর অপরাধ ও গ্যাং কালচারের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক শিক্ষার্থী মাগরিবের পর পড়াশোনা বাদ দিয়ে অপ্রয়োজনে বাইরে সময় কাটাচ্ছে। তাদের একটি বড় অংশ পরবর্তীতে মাদকের সংস্পর্শে চলে যাচ্ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, এটি কোনো দমনমূলক পদক্ষেপ নয় এবং সন্ধ্যার পর বাইরে থাকলেই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বিচারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে—বিষয়টি এমন নয়। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য কমানো, অভিভাবকদের সচেতন করা এবং শিক্ষার্থীদের মাগরিবের পর অপ্রয়োজনে বাইরে অবস্থান নিরুৎসাহিত করা।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের নাগরিকের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন