পটুয়াখালী থানা পুলিশের অভিযানে দুটি মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ গ্রেপ্তারকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পটুয়াখালী থানার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মো. জুয়েল গাজী (২৯) নামে এক সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার শিয়ালী (গাজী বাড়ি) এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার জুয়েল গাজীর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মাদক মামলায় আদালতের সাজা পরোয়ানা কার্যকর ছিল। এর মধ্যে কুমিল্লার চান্দিনা থানার একটি মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার অধীনে তাকে এক বছর ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এছাড়া দুমকি থানার আরেকটি মাদক মামলায় একই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
পটুয়াখালী থানা পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জেলা পুলিশ বলছে, আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
পটুয়াখালী থানা পুলিশের অভিযানে দুটি মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ গ্রেপ্তারকে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পটুয়াখালী থানার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌরসভার মোড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মো. জুয়েল গাজী (২৯) নামে এক সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার শিয়ালী (গাজী বাড়ি) এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার জুয়েল গাজীর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মাদক মামলায় আদালতের সাজা পরোয়ানা কার্যকর ছিল। এর মধ্যে কুমিল্লার চান্দিনা থানার একটি মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) ধারার অধীনে তাকে এক বছর ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
এছাড়া দুমকি থানার আরেকটি মাদক মামলায় একই আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন আদালত। সাজা ঘোষণার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
পটুয়াখালী থানা পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জেলা পুলিশ বলছে, আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন