বর্ষা মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বর্ণা হতে দেখা যাচ্ছে। যেমন চিটাগং হতে বিভিন্ন জায়গায়, আর এতে করে ক্ষতির মুখে পরতে দেখা যায় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষজন-কে।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় টানা ১-ঘন্টার বৃষ্টি-তে হাঁটুর সমান পানির মুখে সাধারণ মানুষ। যাতায়াতের পথে স্কুলের ছাত্র ছাত্রী-হতে গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষজন-রা।
শহরের বেশ কিছু এলাকায় রাস্তা ঘাটে হাঁটুর সমান পানি জমে থাকতে দেখা যার। যেমন সুলতান পুর হতে রাধিকা থেকে মদিনা পাড়া ও ইত্যাদি, ওইসব এলাকাগুলো-তে সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তা ঘাটে হাঁটুর মতো পানি জমে থাকে প্রতিনিয়ত। এবং এসব পানি জমে থাকার কারণে রাস্তায় দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে অনেক টা অসিবিদা হয়ে থাকেন। বেশির ভাগ স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের অনেক টা কষ্টকর হয়ে পরেন এ-ই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে। কারণ রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে কোনু গাড়ি তেমন একটা চলাচল করতে চান না এ-ই রাস্তা দিয়ে, যার ফলে অনেক টা কষ্টকর করে স্কুলে যেতে হয় ছাত্র ছাত্রীদের সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষজন-কে।
শহরের কিছু কিছু গ্রামে যেমন সুলতান পুর মেইন রাস্তা থেকে ধরে আশেপাশে রাস্তা ঘাটে হাঁটুর মতো পানি যার কারণে কোনু গাড়ি হতে সাধারণ মানুষ সহ যাতায়াতের অনেক টা ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াই। ওইখান কার কিছু গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সামান্য বৃষ্টি হলে নাকি রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্থা হয়ে থাকেন, এবং কি রাস্তায় জমে থাকা পানি কোনো ভাবে সরানোর জন্য ড্রেইন বা পানি যাওয়ার মতো খাল নেই, যার কারণে নাকি রাস্তায় প্রতিনিয়ত পানি জমে থাকে। আর এতে করে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে অনেক টা কষ্টকর হয়ে পরেন।
গ্রামের একজন বলেন : সামান্য ১ঘন্টার বৃষ্টিতে হাঁটুর মতো পানি উঠে থাকে, আর যদি টানা বৃষ্টি হলে তাহলে আমাদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে হবে।
এদিকে একজন গাড়ি চালক বলেন: এ-সব রাস্তা দিয়ে আমরা গাড়ি নিয়ে চলাচল করতে পারি না,এই রাস্তায় বর্ষাকাল আসলেই পানি জমে থাকে এবং কি এ-ই রাস্তা দিয়ে আমরা তেমন একটা গাড়ি চালাতে পারি না।
দিন কিংবা বছর যায়, কিন্তু মামা এ-ই রাস্তা এমনই দেখে আসছি একজন দোকানদার এমন প্রশ্ন বলে থাকেন ইনসাফ টাইমস নিউজ কে।
এদিকে এমন প্রশ্নের মুখে ১৩নং মাছিহাতা ইউনিয়ন এর ৩নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের। রাধিকা থেকে পুরো গ্রামের আনাচে কানাচে রাস্তা ঘাটের অবস্থা একেবারে খারাপ অবস্থা। যেদিকে চলাচল করতে হয় সেদিকে নাকি ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় গ্রামের মানুষজন দের। বেশির ভাগ স্কুলে যাতায়াতের জন্য ছাত্র ছাত্রীদের অনেক টা কষ্টকর হয়ে পরেন। তার কারণ রাস্তার অবস্থা একেবারে খারাপ যার কারণে কোনু গাড়ি তেমন একটা চলাচল করতে চান না এ-ই রাস্তা দিয়ে। এবং কি গাড়ি না পাওয়ার কারণে গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় থেকে হেতে হেতে স্কুলে যেতে হয় ছাত্র ছাত্রী দের।
তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচল করতে অসিবিদা হয়ে থাকেন রাতের দিকেও। যেমন রাতের আদারে হাতে লাইট নিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়, তবে রাস্তাঘাটে নেই কোনু আলো যার কারণে অন্ধকারে চলাচল করতে হয় গ্রামে থাকা মানুষগুলোর। জানা যায় অনেক বছর ধরে এই রাস্তায় যেমন রয়েছে তমনেই রয়েছে কিন্তু আজও কোনু উন্নয়ন করা হয় নাই বলে অভিযোগ গ্রামের মানুষজনের।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
বর্ষা মৌসুমে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বর্ণা হতে দেখা যাচ্ছে। যেমন চিটাগং হতে বিভিন্ন জায়গায়, আর এতে করে ক্ষতির মুখে পরতে দেখা যায় বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষজন-কে।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় টানা ১-ঘন্টার বৃষ্টি-তে হাঁটুর সমান পানির মুখে সাধারণ মানুষ। যাতায়াতের পথে স্কুলের ছাত্র ছাত্রী-হতে গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষজন-রা।
শহরের বেশ কিছু এলাকায় রাস্তা ঘাটে হাঁটুর সমান পানি জমে থাকতে দেখা যার। যেমন সুলতান পুর হতে রাধিকা থেকে মদিনা পাড়া ও ইত্যাদি, ওইসব এলাকাগুলো-তে সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তা ঘাটে হাঁটুর মতো পানি জমে থাকে প্রতিনিয়ত। এবং এসব পানি জমে থাকার কারণে রাস্তায় দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে অনেক টা অসিবিদা হয়ে থাকেন। বেশির ভাগ স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের অনেক টা কষ্টকর হয়ে পরেন এ-ই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে। কারণ রাস্তায় পানি জমে থাকার কারণে কোনু গাড়ি তেমন একটা চলাচল করতে চান না এ-ই রাস্তা দিয়ে, যার ফলে অনেক টা কষ্টকর করে স্কুলে যেতে হয় ছাত্র ছাত্রীদের সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষজন-কে।
শহরের কিছু কিছু গ্রামে যেমন সুলতান পুর মেইন রাস্তা থেকে ধরে আশেপাশে রাস্তা ঘাটে হাঁটুর মতো পানি যার কারণে কোনু গাড়ি হতে সাধারণ মানুষ সহ যাতায়াতের অনেক টা ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াই। ওইখান কার কিছু গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সামান্য বৃষ্টি হলে নাকি রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্থা হয়ে থাকেন, এবং কি রাস্তায় জমে থাকা পানি কোনো ভাবে সরানোর জন্য ড্রেইন বা পানি যাওয়ার মতো খাল নেই, যার কারণে নাকি রাস্তায় প্রতিনিয়ত পানি জমে থাকে। আর এতে করে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে অনেক টা কষ্টকর হয়ে পরেন।
গ্রামের একজন বলেন : সামান্য ১ঘন্টার বৃষ্টিতে হাঁটুর মতো পানি উঠে থাকে, আর যদি টানা বৃষ্টি হলে তাহলে আমাদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে হবে।
এদিকে একজন গাড়ি চালক বলেন: এ-সব রাস্তা দিয়ে আমরা গাড়ি নিয়ে চলাচল করতে পারি না,এই রাস্তায় বর্ষাকাল আসলেই পানি জমে থাকে এবং কি এ-ই রাস্তা দিয়ে আমরা তেমন একটা গাড়ি চালাতে পারি না।
দিন কিংবা বছর যায়, কিন্তু মামা এ-ই রাস্তা এমনই দেখে আসছি একজন দোকানদার এমন প্রশ্ন বলে থাকেন ইনসাফ টাইমস নিউজ কে।
এদিকে এমন প্রশ্নের মুখে ১৩নং মাছিহাতা ইউনিয়ন এর ৩নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের। রাধিকা থেকে পুরো গ্রামের আনাচে কানাচে রাস্তা ঘাটের অবস্থা একেবারে খারাপ অবস্থা। যেদিকে চলাচল করতে হয় সেদিকে নাকি ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় গ্রামের মানুষজন দের। বেশির ভাগ স্কুলে যাতায়াতের জন্য ছাত্র ছাত্রীদের অনেক টা কষ্টকর হয়ে পরেন। তার কারণ রাস্তার অবস্থা একেবারে খারাপ যার কারণে কোনু গাড়ি তেমন একটা চলাচল করতে চান না এ-ই রাস্তা দিয়ে। এবং কি গাড়ি না পাওয়ার কারণে গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় থেকে হেতে হেতে স্কুলে যেতে হয় ছাত্র ছাত্রী দের।
তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচল করতে অসিবিদা হয়ে থাকেন রাতের দিকেও। যেমন রাতের আদারে হাতে লাইট নিয়ে চলাচল করতে দেখা যায়, তবে রাস্তাঘাটে নেই কোনু আলো যার কারণে অন্ধকারে চলাচল করতে হয় গ্রামে থাকা মানুষগুলোর। জানা যায় অনেক বছর ধরে এই রাস্তায় যেমন রয়েছে তমনেই রয়েছে কিন্তু আজও কোনু উন্নয়ন করা হয় নাই বলে অভিযোগ গ্রামের মানুষজনের।

আপনার মতামত লিখুন