পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলা। ছোটবিঘাই ইউনিয়নে পায়রা নদীর দীর্ঘদিনের ভয়াবহ ভাঙন প্রতিরোধে অবশেষে আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে এলাকাবাসী। দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের জোরালো প্রচেষ্টার প্রেক্ষিতে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।
গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখে ‘দৈনিক আলোকিত সকাল’ পত্রিকায় ছোটবিঘাইয়ে পায়রা নদীর ১০০ বছরের ক্ষত ও নিঃস্ব জনপদের আকুতি নিয়ে একটি বিশেষ চিত্রসংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর থেকে এর সচিত্র তথ্য ও গুরুত্ব নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন এলাকার সচেতন তরুণ ও প্রতিনিধিরা।
বিশেষ করে **‘প্রাউড অফ পটুয়াখালী’** সংগঠনের সক্রিয় ভূমিকা, এম. এ. সাঈদ সিকদারের নিরলস সামাজিক আন্দোলন ও চেষ্টা, এবং ঢাকায় অবস্থানরত মোঃ নাহিদুল ইসলাম রিয়াজ (নাহিদ দফাদার) ও মোঃ আব্বাস হাওলাদারের যৌথ তৎপরতায় বিষয়টি জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের নজরে আসে। তারা সরাসরি কমিশনের কার্যালয়ে গিয়ে সরেজমিন চিত্র ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের কপি জমা দিয়ে কার্যকর পদক্ষেপের জোরালো দাবি জানান।
তাদের এই যৌথ প্রচেষ্টার সাফল্য হিসেবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন (মরফোলজি শাখা) স্মারক নং- ১৮.২০.০০০০.০০০.০৯.১৭.০০১০.২৩.১২৮ মূলে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সচিত্র প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং তরুণ সমাজের এই সমন্বিত উদ্যোগ না থাকলে হয়তো কর্তৃপক্ষের নজর এভাবে পড়তো না। এজন্য তারা পত্রিকা কর্তৃপক্ষ এবং ‘প্রাউড অফ পটুয়াখালী’ সংগঠনের সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, কমিশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই যৌথ উদ্যোগে দ্রুত সিসি ব্লক ও জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙন রোধ করে ছোটবিঘাইয়ের অবশিষ্ট মানচিত্র রক্ষা করা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলা। ছোটবিঘাই ইউনিয়নে পায়রা নদীর দীর্ঘদিনের ভয়াবহ ভাঙন প্রতিরোধে অবশেষে আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে এলাকাবাসী। দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের জোরালো প্রচেষ্টার প্রেক্ষিতে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।
গত ১৭ মে ২০২৬ তারিখে ‘দৈনিক আলোকিত সকাল’ পত্রিকায় ছোটবিঘাইয়ে পায়রা নদীর ১০০ বছরের ক্ষত ও নিঃস্ব জনপদের আকুতি নিয়ে একটি বিশেষ চিত্রসংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রকাশের পর থেকে এর সচিত্র তথ্য ও গুরুত্ব নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন এলাকার সচেতন তরুণ ও প্রতিনিধিরা।
বিশেষ করে **‘প্রাউড অফ পটুয়াখালী’** সংগঠনের সক্রিয় ভূমিকা, এম. এ. সাঈদ সিকদারের নিরলস সামাজিক আন্দোলন ও চেষ্টা, এবং ঢাকায় অবস্থানরত মোঃ নাহিদুল ইসলাম রিয়াজ (নাহিদ দফাদার) ও মোঃ আব্বাস হাওলাদারের যৌথ তৎপরতায় বিষয়টি জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের নজরে আসে। তারা সরাসরি কমিশনের কার্যালয়ে গিয়ে সরেজমিন চিত্র ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের কপি জমা দিয়ে কার্যকর পদক্ষেপের জোরালো দাবি জানান।
তাদের এই যৌথ প্রচেষ্টার সাফল্য হিসেবে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন (মরফোলজি শাখা) স্মারক নং- ১৮.২০.০০০০.০০০.০৯.১৭.০০১০.২৩.১২৮ মূলে পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সচিত্র প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকার বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং তরুণ সমাজের এই সমন্বিত উদ্যোগ না থাকলে হয়তো কর্তৃপক্ষের নজর এভাবে পড়তো না। এজন্য তারা পত্রিকা কর্তৃপক্ষ এবং ‘প্রাউড অফ পটুয়াখালী’ সংগঠনের সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, কমিশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই যৌথ উদ্যোগে দ্রুত সিসি ব্লক ও জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙন রোধ করে ছোটবিঘাইয়ের অবশিষ্ট মানচিত্র রক্ষা করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন