শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাতে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শিলা ইসলাম দুই কন্যাসন্তানের জননী ছিলেন। তিনি উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক এবং গৈলা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তার স্বামী শফিকুল ইসলাম মারুফ সেরনিয়াবাত একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। শিলা ইসলাম ছিলেন মারুফ সেরনিয়াবাতের দ্বিতীয় স্ত্রী।
নিহতের বাবা আব্দুস সালাম হাওলাদার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে মারুফ সেরনিয়াবাত প্রায়ই তার মেয়েকে মারধর করতেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে সেরাল গ্রামের ভাড়া বাসায় মারুফ সেরনিয়াবাত শিলা ইসলামকে মারধর করেন। এরপর শিলা ইসলাম ঘরের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে রাতেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র ও ছবি: আমার দেশ

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাতে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
শিলা ইসলাম দুই কন্যাসন্তানের জননী ছিলেন। তিনি উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক এবং গৈলা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তার স্বামী শফিকুল ইসলাম মারুফ সেরনিয়াবাত একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। শিলা ইসলাম ছিলেন মারুফ সেরনিয়াবাতের দ্বিতীয় স্ত্রী।
নিহতের বাবা আব্দুস সালাম হাওলাদার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে মারুফ সেরনিয়াবাত প্রায়ই তার মেয়েকে মারধর করতেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে সেরাল গ্রামের ভাড়া বাসায় মারুফ সেরনিয়াবাত শিলা ইসলামকে মারধর করেন। এরপর শিলা ইসলাম ঘরের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে রাতেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন উল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র ও ছবি: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন