বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২৮ জুলাই আলীকদম জেলা পরিষদ রেস্ট হাউস প্রাঙ্গণে চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির আওতায় ৭০ জন কৃষকের মাঝে মোট ১৭২টি চারা বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ১০২টি ফলদ এবং ৫০টি বনজ গাছের চারা ছিল। এছাড়া চারাগুলোর পরিচর্যার জন্য কৃষকদের মধ্যে ২০ কেজি জৈব সার এবং ১৭ কেজি রাসায়নিক সারও বিতরণ করা হয়।
চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিমন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক লিটন দেবনাথ,জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী লেলিন চাকমা এবং আলীকদম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সোহেল রানা ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ফলদ ও বনজ গাছ রোপণের মাধ্যমে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব, তেমনি কৃষকদের বাড়তি আয় ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এসব গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা কৃষকদের বিতরণকৃত চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করে সফলভাবে লালন-পালনের আহ্বান জানান।
কৃষকদের আত্মসামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে উৎসাহিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। অংশগ্রহণকারী কৃষকরা এ ধরনের সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কৃষিবান্ধব কর্মসূচি অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২৮ জুলাই আলীকদম জেলা পরিষদ রেস্ট হাউস প্রাঙ্গণে চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচির আওতায় ৭০ জন কৃষকের মাঝে মোট ১৭২টি চারা বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ১০২টি ফলদ এবং ৫০টি বনজ গাছের চারা ছিল। এছাড়া চারাগুলোর পরিচর্যার জন্য কৃষকদের মধ্যে ২০ কেজি জৈব সার এবং ১৭ কেজি রাসায়নিক সারও বিতরণ করা হয়।
চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম রিমন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক লিটন দেবনাথ,জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী লেলিন চাকমা এবং আলীকদম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সোহেল রানা ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ফলদ ও বনজ গাছ রোপণের মাধ্যমে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব, তেমনি কৃষকদের বাড়তি আয় ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এসব গাছ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা কৃষকদের বিতরণকৃত চারাগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করে সফলভাবে লালন-পালনের আহ্বান জানান।
কৃষকদের আত্মসামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণে উৎসাহিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। অংশগ্রহণকারী কৃষকরা এ ধরনের সহায়তা পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কৃষিবান্ধব কর্মসূচি অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন