নওগাঁর মহাদেবপুরে মোছা. আলতা বেগম (৫২) নামে এক নারী ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের খোদ্দ কালনা উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তার নিজ ঘর থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আলতা বেগম খোর্দ কালনা গ্রামের মৃত সবিজ এর মেয়ে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আলতা বেগম ২০১১ সালে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। পরে ২০১৬ সালের নির্বাচনে আবারও মাত্র ৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এ নির্বাচনে মাত্র ৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই মানসিক রোগে ভুগছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ২০২১ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন তিনি। এরপর বেশ ভালোভাবেই দিন কাটছিলো তার। কিন্তু বছর দুয়েক আগে আকস্মিকভাবে তার স্বামীর মৃত্যু ঘটলে এর কিছুদিন পর থেকে আবারও মানসিক সমস্যা দেখা দেয় তার।
গতকাল রাতে আলতা বেগম তার শাশুড়ির সঙ্গে একই ঘরে ছিলেন। সকালে শাশুড়ি তাকে ডাকলে তিনি শরীর খারাপ লাগছে বলে জানান এবং আবার শুয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে থাকা অবস্থায় দেখতে পান। সে সময় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চার্জার ভ্যানে উঠানো হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
খাজুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বেলাল উদ্দিন জানান, মানসিক সমস্যার কারণে অধিকাংশ সময়ই তিনি বিষণ্ণ থাকতেন।
মহাদেবপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় থানায় ইউডি (অপমৃত্যু) মামলা শেষে দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর মহাদেবপুরে মোছা. আলতা বেগম (৫২) নামে এক নারী ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার খাজুর ইউনিয়নের খোদ্দ কালনা উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তার নিজ ঘর থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আলতা বেগম খোর্দ কালনা গ্রামের মৃত সবিজ এর মেয়ে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আলতা বেগম ২০১১ সালে ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। পরে ২০১৬ সালের নির্বাচনে আবারও মাত্র ৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এ নির্বাচনে মাত্র ৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই মানসিক রোগে ভুগছিলেন তিনি। পরবর্তীতে ২০২১ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন তিনি। এরপর বেশ ভালোভাবেই দিন কাটছিলো তার। কিন্তু বছর দুয়েক আগে আকস্মিকভাবে তার স্বামীর মৃত্যু ঘটলে এর কিছুদিন পর থেকে আবারও মানসিক সমস্যা দেখা দেয় তার।
গতকাল রাতে আলতা বেগম তার শাশুড়ির সঙ্গে একই ঘরে ছিলেন। সকালে শাশুড়ি তাকে ডাকলে তিনি শরীর খারাপ লাগছে বলে জানান এবং আবার শুয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে থাকা অবস্থায় দেখতে পান। সে সময় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চার্জার ভ্যানে উঠানো হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
খাজুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. বেলাল উদ্দিন জানান, মানসিক সমস্যার কারণে অধিকাংশ সময়ই তিনি বিষণ্ণ থাকতেন।
মহাদেবপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় থানায় ইউডি (অপমৃত্যু) মামলা শেষে দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন