পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকারের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ তা স্বাগত জানাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকারই হলো রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন। যদি সেটি সম্ভব হয়, তাহলে তা অবশ্যই একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও সুখবর হবে। তবে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তথ্য তার জানা নেই।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মিয়ানমারে আটক বাংলাদেশি জেলেদের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, তাদের ফিরিয়ে আনতে সরকার ইতোমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে বিজিবি প্রধান ও পররাষ্ট্র সচিবকে নিয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ে আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কেউ আরাকান আর্মির হাতে আটক হয়েছেন, আবার কেউ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি কিছুটা জটিল হলেও এখন পর্যন্ত ২৭ জন জেলেকে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা সেখানে কারাভোগ করেছেন এবং তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আরাকান আর্মির হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টি আরও বেশি জটিল। কারণ তারা সহজে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগে আগ্রহ দেখায় না। এ পরিস্থিতিতে বিজিবি এবং সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী অন্যান্য সংস্থা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দুই থেকে তিন মাস আগে ভারতের চেন্নাইয়ে আটকে থাকা বগুড়ার কয়েকজনকে সফলভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, ভারত বা অন্য যেকোনো দেশে বাংলাদেশিরা আটকা পড়লে তাদের ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকারের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ তা স্বাগত জানাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকারই হলো রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন। যদি সেটি সম্ভব হয়, তাহলে তা অবশ্যই একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও সুখবর হবে। তবে মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত থাকলেও এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তথ্য তার জানা নেই।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মিয়ানমারে আটক বাংলাদেশি জেলেদের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, তাদের ফিরিয়ে আনতে সরকার ইতোমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে বিজিবি প্রধান ও পররাষ্ট্র সচিবকে নিয়ে একটি বৈঠক হয়েছে। সেখানে আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ে আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কেউ আরাকান আর্মির হাতে আটক হয়েছেন, আবার কেউ বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছেন। তিনি বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি কিছুটা জটিল হলেও এখন পর্যন্ত ২৭ জন জেলেকে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা সেখানে কারাভোগ করেছেন এবং তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আরাকান আর্মির হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টি আরও বেশি জটিল। কারণ তারা সহজে বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগে আগ্রহ দেখায় না। এ পরিস্থিতিতে বিজিবি এবং সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী অন্যান্য সংস্থা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দুই থেকে তিন মাস আগে ভারতের চেন্নাইয়ে আটকে থাকা বগুড়ার কয়েকজনকে সফলভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, ভারত বা অন্য যেকোনো দেশে বাংলাদেশিরা আটকা পড়লে তাদের ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

আপনার মতামত লিখুন