সেবাতা কেন্দ্রের এই বিধায়কের লিখিত অভিযোগের পর রেউসা থানায় মামলা হয়। পরে পুলিশ অভিযুক্ত প্রখর ত্রিবেদী ও তার বাবা অনুজ ত্রিবেদীকে গ্রেপ্তার করে।
এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে মিশ্রিখের বাসিন্দা অনুজ ত্রিবেদীর ছেলে প্রখর ত্রিবেদীর সঙ্গে বিধায়ক জ্ঞান তিওয়ারির মেয়ে প্রজ্ঞার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় অনুজ নিজেকে মুম্বাইভিত্তিক একজন শীর্ষস্থানীয় রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দেন। একই সঙ্গে তাদের আগের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়টিও গোপন রাখা হয়।
এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দেওয়া ইতিবাচক মতামতের ওপর নির্ভর করেই তিওয়ারির পরিবার এই বিয়েতে সম্মতি দিয়েছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিয়ের প্রায় আড়াই বছর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য সূত্রের মাধ্যমে প্রখরের প্রকৃত পরিচয় জানতে পারে কনের পরিবার। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রখর ভুয়া পরিচয়ের আশ্রয় নিয়ে মহারাষ্ট্রসহ বিভিন্ন রাজ্যের একাধিক নারীকে সম্পর্কের ফাঁদে ফেলতেন। পরে তাদের কাছ থেকে কোটি কোটি রুপি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
প্রতারণার বিষয়টি জানার পর জ্ঞান তিওয়ারি অভিযুক্ত পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং মেয়েকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন।
সম্প্রতি মেয়েকে পাশে রেখে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় জ্ঞান তিওয়ারি বলেন, এ ঘটনার কারণে তাদের পরিবার চরম মানসিক পীড়নের মধ্যে পড়েছে এবং সামাজিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতারক অনুজ ত্রিবেদীর সর্বোচ্চ শাস্তি চান তারা। একই সঙ্গে প্রখর ত্রিবেদী দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, বিধায়কের এজাহারের ভিত্তিতে মামলা করার পর প্রধান দুই অভিযুক্ত অনুজ ত্রিবেদী ও প্রখর ত্রিবেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে তাদের আগের অপরাধের তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
সেবাতা কেন্দ্রের এই বিধায়কের লিখিত অভিযোগের পর রেউসা থানায় মামলা হয়। পরে পুলিশ অভিযুক্ত প্রখর ত্রিবেদী ও তার বাবা অনুজ ত্রিবেদীকে গ্রেপ্তার করে।
এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে মিশ্রিখের বাসিন্দা অনুজ ত্রিবেদীর ছেলে প্রখর ত্রিবেদীর সঙ্গে বিধায়ক জ্ঞান তিওয়ারির মেয়ে প্রজ্ঞার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় অনুজ নিজেকে মুম্বাইভিত্তিক একজন শীর্ষস্থানীয় রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দেন। একই সঙ্গে তাদের আগের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়টিও গোপন রাখা হয়।
এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দেওয়া ইতিবাচক মতামতের ওপর নির্ভর করেই তিওয়ারির পরিবার এই বিয়েতে সম্মতি দিয়েছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিয়ের প্রায় আড়াই বছর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অন্যান্য সূত্রের মাধ্যমে প্রখরের প্রকৃত পরিচয় জানতে পারে কনের পরিবার। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রখর ভুয়া পরিচয়ের আশ্রয় নিয়ে মহারাষ্ট্রসহ বিভিন্ন রাজ্যের একাধিক নারীকে সম্পর্কের ফাঁদে ফেলতেন। পরে তাদের কাছ থেকে কোটি কোটি রুপি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
প্রতারণার বিষয়টি জানার পর জ্ঞান তিওয়ারি অভিযুক্ত পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং মেয়েকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন।
সম্প্রতি মেয়েকে পাশে রেখে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় জ্ঞান তিওয়ারি বলেন, এ ঘটনার কারণে তাদের পরিবার চরম মানসিক পীড়নের মধ্যে পড়েছে এবং সামাজিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতারক অনুজ ত্রিবেদীর সর্বোচ্চ শাস্তি চান তারা। একই সঙ্গে প্রখর ত্রিবেদী দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
পুলিশ জানিয়েছে, বিধায়কের এজাহারের ভিত্তিতে মামলা করার পর প্রধান দুই অভিযুক্ত অনুজ ত্রিবেদী ও প্রখর ত্রিবেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে তাদের আগের অপরাধের তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব

আপনার মতামত লিখুন