ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মুফতি আবু বকর সিদ্দীক বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের সময় যারা গোপনে বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে অবস্থান করছিলেন, তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করলেও পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে গেলে তাদের গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
তিনি বলেন, “যারা গুপ্ত ছিল, নিরাপদে ছিল, বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে লুকায়িত ছিল—তারা নিরাপদেই থেকে যেত। জুলাই ব্যর্থ হলে ধরা পড়ে যেতেন পীর সাহেব চরমোনাই ও তাঁর কর্মীরা।”
সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যে জুলাই আন্দোলনের সময় বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের ভূমিকা ও নিরাপত্তার বিষয়টি উঠে আসে।
মুফতি আবু বকর সিদ্দীক আরও বলেন, সে সময় যারা প্রকাশ্যে বা আড়ালে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের অবস্থান ও ভূমিকা নিয়ে পরবর্তীতে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মুফতি আবু বকর সিদ্দীক বলেছেন, জুলাই আন্দোলনের সময় যারা গোপনে বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে অবস্থান করছিলেন, তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করলেও পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে গেলে তাদের গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কা ছিল।
তিনি বলেন, “যারা গুপ্ত ছিল, নিরাপদে ছিল, বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে লুকায়িত ছিল—তারা নিরাপদেই থেকে যেত। জুলাই ব্যর্থ হলে ধরা পড়ে যেতেন পীর সাহেব চরমোনাই ও তাঁর কর্মীরা।”
সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যে জুলাই আন্দোলনের সময় বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের ভূমিকা ও নিরাপত্তার বিষয়টি উঠে আসে।
মুফতি আবু বকর সিদ্দীক আরও বলেন, সে সময় যারা প্রকাশ্যে বা আড়ালে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের অবস্থান ও ভূমিকা নিয়ে পরবর্তীতে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন