বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানার নিয়মিত অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ মোট ৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযানে ১২ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারিয়াকান্দি থানার পৃথক অভিযানে থানার সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ১২ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ কথিত মাদক ব্যবসায়ী মো. ওবায়দুল ইসলাম শাকিল (৪৩), পিতা—মৃত ওয়াহিদুল ইসলাম আন্নু, সাং—বাড়ইপাড়া (সরকারপাড়া)-কে আটক করা হয়।
এছাড়া জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. হাফিজার রহমান (৬২), পিতা—মৃত জামাল সোনার, সাং—বাড়ইপাড়া; মো. রুবেল (৩৫), পিতা—মো. লাল মিয়া প্রামাণিক, সাং—হিন্দুকান্দি (শিল্পপাড়া)সহ আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
আটক অন্যরা হলেন—ফজলু সরকার (৫৮), মো. শাহজাহান আলী সরকার (৬৫), মো. আলম প্রাং (৩৫), মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (২৫) এবং মো. পিন্টু সরকার (৩৮)। তাদের সবার বাড়ি সারিয়াকান্দি থানা এলাকায়।
পুলিশ জানায়, মাদকসহ আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। অন্যদের সংশ্লিষ্ট মামলায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অপরাধ দমনে পুলিশের কঠোর অবস্থান
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ জানিয়েছে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান কঠোর।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, থানা এলাকার বিশাল জনসংখ্যা ও বিস্তৃত পরিধির তুলনায় জনবল সংকট থাকলেও সীমিত জনবল দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও মামলা তদন্তসহ পুলিশের দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।
অপরাধ দমনে পুলিশকে সহযোগিতা করতে এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে পুলিশ বলেছে, অপরাধী ও অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জুয়া ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের বার্তা—অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক, আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তথ্যদাতাদের পরিচয় ও নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানার নিয়মিত অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ মোট ৮ জনকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযানে ১২ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারিয়াকান্দি থানার পৃথক অভিযানে থানার সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ১২ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ কথিত মাদক ব্যবসায়ী মো. ওবায়দুল ইসলাম শাকিল (৪৩), পিতা—মৃত ওয়াহিদুল ইসলাম আন্নু, সাং—বাড়ইপাড়া (সরকারপাড়া)-কে আটক করা হয়।
এছাড়া জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. হাফিজার রহমান (৬২), পিতা—মৃত জামাল সোনার, সাং—বাড়ইপাড়া; মো. রুবেল (৩৫), পিতা—মো. লাল মিয়া প্রামাণিক, সাং—হিন্দুকান্দি (শিল্পপাড়া)সহ আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
আটক অন্যরা হলেন—ফজলু সরকার (৫৮), মো. শাহজাহান আলী সরকার (৬৫), মো. আলম প্রাং (৩৫), মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (২৫) এবং মো. পিন্টু সরকার (৩৮)। তাদের সবার বাড়ি সারিয়াকান্দি থানা এলাকায়।
পুলিশ জানায়, মাদকসহ আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। অন্যদের সংশ্লিষ্ট মামলায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অপরাধ দমনে পুলিশের কঠোর অবস্থান
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশ জানিয়েছে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, জুয়া ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান কঠোর।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, থানা এলাকার বিশাল জনসংখ্যা ও বিস্তৃত পরিধির তুলনায় জনবল সংকট থাকলেও সীমিত জনবল দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও মামলা তদন্তসহ পুলিশের দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।
অপরাধ দমনে পুলিশকে সহযোগিতা করতে এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে পুলিশ বলেছে, অপরাধী ও অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জুয়া ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এলাকাভিত্তিক সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
সারিয়াকান্দি থানা পুলিশের বার্তা—অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক, আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তথ্যদাতাদের পরিচয় ও নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন