শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধনের পর তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে যেন কোনো মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে ব্যবস্থা করা হবে। দেশের এমন একটি চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান, যাতে চিকিৎসার জন্য মানুষকে বিদেশে যেতে না হয়।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নবনির্মিত ভবনটি উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি মোনাজাতে অংশ নেন। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
দেশে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন ৫০০ শয্যা যুক্ত হওয়ায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের মোট শয্যাসংখ্যা বেড়ে ১ হাজারে দাঁড়িয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোনো দেশে এত বড় নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল নেই।
এর আগে ২০১২ সালে ১০ তলা ভবনে ৩০০ শয্যার হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হয়। রোগীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকায় উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পরবর্তী সময়ে আরও ২০০ শয্যা যুক্ত করা হয়। এবার নবনির্মিত ১৫ তলা ভবনের মাধ্যমে আরও ৫০০ শয্যা যোগ হলো।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধনের পর তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে যেন কোনো মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে ব্যবস্থা করা হবে। দেশের এমন একটি চিকিৎসাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চান, যাতে চিকিৎসার জন্য মানুষকে বিদেশে যেতে না হয়।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নবনির্মিত ভবনটি উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর তিনি মোনাজাতে অংশ নেন। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
দেশে স্নায়ুরোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন ৫০০ শয্যা যুক্ত হওয়ায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের মোট শয্যাসংখ্যা বেড়ে ১ হাজারে দাঁড়িয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোনো দেশে এত বড় নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল নেই।
এর আগে ২০১২ সালে ১০ তলা ভবনে ৩০০ শয্যার হাসপাতালটির কার্যক্রম শুরু হয়। রোগীর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকায় উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে পরবর্তী সময়ে আরও ২০০ শয্যা যুক্ত করা হয়। এবার নবনির্মিত ১৫ তলা ভবনের মাধ্যমে আরও ৫০০ শয্যা যোগ হলো।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব।

আপনার মতামত লিখুন