নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) দুই দিনব্যাপী চিত্রকৃৎ আয়োজিত চিত্রপ্রদর্শনী ‘চিত্রপটে চিত্রকৃৎ ৩.০’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে ক্যাম্পাসসহ দেশের ৪৫টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৩০০টির অধিক চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হয়।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হাসান উদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা যায়, দুই দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীতে ৩০০টিরও বেশি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। এতে মোট ১১২ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসের ৩৬ জন শিক্ষার্থী এবং দেশের ৪৫টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। প্রদর্শিত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে একটি শিল্পকর্মের মূল্য চার লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া লাখ টাকার বেশি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে—এমন আরও বেশ কিছু শিল্পকর্মও প্রদর্শনীতে স্থান পায়। বেশ কিছু শিল্পকর্ম বিক্রি করা হয়েছে বলেও তারা জানায়।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে অর্পিতা পোদ্দার অর্পণ বলেন, “পুরো আয়োজনজুড়ে রয়েছে নানা ধরনের চিত্রকর্ম, আর্টওয়ার্ক ও ফ্রেমবন্দি বিভিন্ন শিল্পকর্ম। এখানে এমন একটি শিল্পকর্মও রয়েছে, যার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে চার লাখ টাকা। এভাবে আরও অনেক বৈচিত্র্যময় শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে পুরো আয়োজনটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে এবং দর্শনার্থীদের জন্য একটি আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।”
প্রদর্শনীর শিল্পকর্ম মূল্যায়নে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা অজয় দত্ত ও ইসমাত আরা সোমা।
প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান সীমান্ত বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম ক্লাব চিত্রকৃৎ আয়োজিত চিত্রপ্রদর্শনীটি অত্যন্ত সুন্দর ও আকর্ষণীয়। এখানে বিভিন্ন ধরনের চিত্রকর্ম ও নান্দনিক ডিজাইন দেখতে পাচ্ছি। নোয়াখালীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে তারা নিজেদের সৃজনশীল কার্যক্রম তুলে ধরেছে, এ জন্য তাদের সাধুবাদ জানাই এবং তাদের পথচলা আরও সুন্দর ও সফল হোক।”
প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত শরীফ সাবিহা বলেন, “আজ অডিটোরিয়ামে চিত্রকৃৎ আয়োজিত ‘চিত্রপটে চিত্রকৃৎ ৩.০’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছি। এটি আমার জীবনে প্রথম কোনো চিত্রপ্রদর্শনী পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো, এই প্রথম কোনো প্রদর্শনীতে নিজের আঁকা ছবি নিয়ে অংশগ্রহণ করেছি। সহপাঠীদের সঙ্গে আমরা ঘুরে ঘুরে ছবিগুলো দেখছি। আবার অনেকে নিজের আঁকা ছবি অন্যদের বুঝিয়ে বলছে এবং মতামত দিচ্ছে। এ ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করা সত্যিই খুব সুন্দর। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে অল্প সময়ের মধ্যেই এমন একটি আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।”
নোবিপ্রবি চিত্রকৃৎ-এর সভাপতি শান্তা দেবনাথ বলেন, “মাত্র ২০ দিনের প্রস্তুতিতে প্রায় ১২২ জন শিক্ষার্থীর সাড়া পাওয়া গেছে এবং তাঁদের কাছ থেকে ৩০০টিরও বেশি শিল্পকর্ম সংগ্রহ করা হয়েছে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষকের শিল্পকর্মও প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ঢাকা ও মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব শিল্পকর্ম এসেছে। প্রদর্শনীতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক—দুই ক্যাটাগরি থেকেই বেশ কিছু শিল্পকর্ম বিক্রি হয়েছে। প্রদর্শনীটি আরও কয়েক দিন চালু রাখা সম্ভব হলে বিক্রির পরিমাণ আরও বাড়ত বলে মনে করি।”
তিনি আরও বলেন, “দুই দিনের এ আয়োজনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্মের পাশাপাশি তাঁদের নিজস্ব ভাবনা ও সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটেছে। ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও শিল্পভাবনার সমন্বয়ে প্রদর্শনীটি দর্শনার্থীদের কাছে শিল্পের বৈচিত্র্যময় প্রকাশ তুলে ধরেছে।”
চিত্রপ্রদর্শনীতে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. শিবলুর রাহমান বলেন, “প্রথমেই এমন সুন্দর আয়োজন করার জন্য চিত্রকৃৎকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। প্রদর্শনীতে এসে বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম দেখে বেশ ভালো লেগেছে। বিশেষ করে শিশুদের শিল্পকর্ম, শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া বা প্রাপ্তবয়স্কদের শিল্পকর্মের মধ্যে যে ভিন্নতা ও বৈচিত্র্য রয়েছে, তা খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। মানুষ তার অনুভূতি ও চিন্তাভাবনা বিভিন্নভাবে প্রকাশ করে—কেউ লেখার মাধ্যমে, কেউ বইয়ের মাধ্যমে, আবার কেউ ছবি আঁকার মাধ্যমে। এই প্রদর্শনীতে সেই ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশের ধরনগুলো দেখতে পেরে ভালো লেগেছে। সবশেষে এমন সুন্দর আয়োজনের জন্য চিত্রকৃৎকে আবারও ধন্যবাদ জানাই।”
উল্লেখ্য, একই পৃথিবীকে মানুষ তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ভিন্নভাবে দেখে—এই ভাবনাকে কেন্দ্র করেই এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শিল্পীরা তাঁদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, অনুভূতি ও ভাবনাকে রং, রেখা ও তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। আর চিত্রকৃৎ সেই ভিন্ন ভিন্ন শিল্পভাবনাকে একত্র করে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানায় আয়োজক কমিটি।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) দুই দিনব্যাপী চিত্রকৃৎ আয়োজিত চিত্রপ্রদর্শনী ‘চিত্রপটে চিত্রকৃৎ ৩.০’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে ক্যাম্পাসসহ দেশের ৪৫টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৩০০টির অধিক চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হয়।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হাসান উদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা যায়, দুই দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীতে ৩০০টিরও বেশি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। এতে মোট ১১২ জন শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসের ৩৬ জন শিক্ষার্থী এবং দেশের ৪৫টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। প্রদর্শিত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে একটি শিল্পকর্মের মূল্য চার লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এ ছাড়া লাখ টাকার বেশি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে—এমন আরও বেশ কিছু শিল্পকর্মও প্রদর্শনীতে স্থান পায়। বেশ কিছু শিল্পকর্ম বিক্রি করা হয়েছে বলেও তারা জানায়।
আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে অর্পিতা পোদ্দার অর্পণ বলেন, “পুরো আয়োজনজুড়ে রয়েছে নানা ধরনের চিত্রকর্ম, আর্টওয়ার্ক ও ফ্রেমবন্দি বিভিন্ন শিল্পকর্ম। এখানে এমন একটি শিল্পকর্মও রয়েছে, যার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে চার লাখ টাকা। এভাবে আরও অনেক বৈচিত্র্যময় শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে পুরো আয়োজনটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে এবং দর্শনার্থীদের জন্য একটি আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।”
প্রদর্শনীর শিল্পকর্ম মূল্যায়নে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা অজয় দত্ত ও ইসমাত আরা সোমা।
প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান সীমান্ত বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম ক্লাব চিত্রকৃৎ আয়োজিত চিত্রপ্রদর্শনীটি অত্যন্ত সুন্দর ও আকর্ষণীয়। এখানে বিভিন্ন ধরনের চিত্রকর্ম ও নান্দনিক ডিজাইন দেখতে পাচ্ছি। নোয়াখালীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে তারা নিজেদের সৃজনশীল কার্যক্রম তুলে ধরেছে, এ জন্য তাদের সাধুবাদ জানাই এবং তাদের পথচলা আরও সুন্দর ও সফল হোক।”
প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত শরীফ সাবিহা বলেন, “আজ অডিটোরিয়ামে চিত্রকৃৎ আয়োজিত ‘চিত্রপটে চিত্রকৃৎ ৩.০’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছি। এটি আমার জীবনে প্রথম কোনো চিত্রপ্রদর্শনী পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো, এই প্রথম কোনো প্রদর্শনীতে নিজের আঁকা ছবি নিয়ে অংশগ্রহণ করেছি। সহপাঠীদের সঙ্গে আমরা ঘুরে ঘুরে ছবিগুলো দেখছি। আবার অনেকে নিজের আঁকা ছবি অন্যদের বুঝিয়ে বলছে এবং মতামত দিচ্ছে। এ ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জন করা সত্যিই খুব সুন্দর। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে অল্প সময়ের মধ্যেই এমন একটি আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।”
নোবিপ্রবি চিত্রকৃৎ-এর সভাপতি শান্তা দেবনাথ বলেন, “মাত্র ২০ দিনের প্রস্তুতিতে প্রায় ১২২ জন শিক্ষার্থীর সাড়া পাওয়া গেছে এবং তাঁদের কাছ থেকে ৩০০টিরও বেশি শিল্পকর্ম সংগ্রহ করা হয়েছে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষকের শিল্পকর্মও প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ঢাকা ও মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব শিল্পকর্ম এসেছে। প্রদর্শনীতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক—দুই ক্যাটাগরি থেকেই বেশ কিছু শিল্পকর্ম বিক্রি হয়েছে। প্রদর্শনীটি আরও কয়েক দিন চালু রাখা সম্ভব হলে বিক্রির পরিমাণ আরও বাড়ত বলে মনে করি।”
তিনি আরও বলেন, “দুই দিনের এ আয়োজনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্মের পাশাপাশি তাঁদের নিজস্ব ভাবনা ও সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটেছে। ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও শিল্পভাবনার সমন্বয়ে প্রদর্শনীটি দর্শনার্থীদের কাছে শিল্পের বৈচিত্র্যময় প্রকাশ তুলে ধরেছে।”
চিত্রপ্রদর্শনীতে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. শিবলুর রাহমান বলেন, “প্রথমেই এমন সুন্দর আয়োজন করার জন্য চিত্রকৃৎকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। প্রদর্শনীতে এসে বিভিন্ন ধরনের শিল্পকর্ম দেখে বেশ ভালো লেগেছে। বিশেষ করে শিশুদের শিল্পকর্ম, শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া বা প্রাপ্তবয়স্কদের শিল্পকর্মের মধ্যে যে ভিন্নতা ও বৈচিত্র্য রয়েছে, তা খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। মানুষ তার অনুভূতি ও চিন্তাভাবনা বিভিন্নভাবে প্রকাশ করে—কেউ লেখার মাধ্যমে, কেউ বইয়ের মাধ্যমে, আবার কেউ ছবি আঁকার মাধ্যমে। এই প্রদর্শনীতে সেই ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশের ধরনগুলো দেখতে পেরে ভালো লেগেছে। সবশেষে এমন সুন্দর আয়োজনের জন্য চিত্রকৃৎকে আবারও ধন্যবাদ জানাই।”
উল্লেখ্য, একই পৃথিবীকে মানুষ তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ভিন্নভাবে দেখে—এই ভাবনাকে কেন্দ্র করেই এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শিল্পীরা তাঁদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, অনুভূতি ও ভাবনাকে রং, রেখা ও তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তুলেছেন। আর চিত্রকৃৎ সেই ভিন্ন ভিন্ন শিল্পভাবনাকে একত্র করে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানায় আয়োজক কমিটি।

আপনার মতামত লিখুন