শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম। এ লক্ষ্য অর্জনে তিনি কখনো নতি স্বীকার করেননি। নেত্রীর ত্যাগ ও আপসহীন অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশ আজকের পর্যায়ে এসেছে। খালেদা জিয়ার আদর্শ ও নেতৃত্বকে আমাদের ধারণ করতে হবে।
সাবেক মহাসচিব বলেন, বিএনপিকে একটি সত্যিকারের রাজনৈতিক দলে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াই ছিলেন প্রধান কারিগর। দীর্ঘদিন তিনি সংগ্রাম ও লড়াই করেছেন এবং নিজের অবস্থানের বিষয়ে কোনো আপস করেননি। তিনি দলকে ধারণ করেছেন। তার কর্মকাণ্ড ও প্রেরণা সবসময় আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে অর্জিত সম্পদের অংশ অনেকেই পেলেও আন্দোলন-সংগ্রামের মাঠে সবাইকে তিনি পাশে পাননি। এতে তিনি মনঃক্ষুণ্ন হননি। বরং সবাইকে আপন করে নিয়েছেন, সবার ভুল-অপরাধ ক্ষমা করেছেন এবং প্রত্যেককে যথাযথ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আন্দোলনের ফলেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় সুপরামর্শ দেবেন।
দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, আমির হোসেন মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সহসম্পাদক কাজী আবুল বাশারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অপরিসীম। এ লক্ষ্য অর্জনে তিনি কখনো নতি স্বীকার করেননি। নেত্রীর ত্যাগ ও আপসহীন অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশ আজকের পর্যায়ে এসেছে। খালেদা জিয়ার আদর্শ ও নেতৃত্বকে আমাদের ধারণ করতে হবে।
সাবেক মহাসচিব বলেন, বিএনপিকে একটি সত্যিকারের রাজনৈতিক দলে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াই ছিলেন প্রধান কারিগর। দীর্ঘদিন তিনি সংগ্রাম ও লড়াই করেছেন এবং নিজের অবস্থানের বিষয়ে কোনো আপস করেননি। তিনি দলকে ধারণ করেছেন। তার কর্মকাণ্ড ও প্রেরণা সবসময় আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে অর্জিত সম্পদের অংশ অনেকেই পেলেও আন্দোলন-সংগ্রামের মাঠে সবাইকে তিনি পাশে পাননি। এতে তিনি মনঃক্ষুণ্ন হননি। বরং সবাইকে আপন করে নিয়েছেন, সবার ভুল-অপরাধ ক্ষমা করেছেন এবং প্রত্যেককে যথাযথ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আন্দোলনের ফলেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় সুপরামর্শ দেবেন।
দোয়া মাহফিলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান, আমির হোসেন মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সহসম্পাদক কাজী আবুল বাশারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব।

আপনার মতামত লিখুন